• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
সংসদের নতুন স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাকিস্তানের বার্তা বিরোধীদলীয় উপনেতার বক্তব্যে টেবিল চাপড়ে হাসলেন প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ শুরুর পর ইরানে ৩২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ মৃত্যু: জামায়াতের শোক প্রকাশ মার্চের ১১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯২ কোটি ডলার প্রথম ভাষণেই দুই দেশের বিরুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হুঙ্কার সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতির কাছেই শপথ নিয়েছিলেন, এখন বিরোধিতা কেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফুটপাত থেকে অপরাধ জগতে

গাজিয়াবাদে ৩ কিশোরীর আত্মহত্যা:

নতুন রহস্য উন্মোচিত, বাবার অতীত ফের প্রশ্নের মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৫ পি.এম.
ভারতের গাজিয়াবাদে ৩ কিশোরী বোনের আত্মহত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে-ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে তিন কিশোরী বোনের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা নতুন রূপ নিয়েছে। স্থানীয় পুলিশ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

জানা গেছে, এই তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের নাম ২০১৫ সালে ঘটানো এক আত্মহত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, সেই ঘটনায় এবং তিন কিশোরীর মৃত্যুর মধ্যে কোনো সংযোগ আছে কি না।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে চেতন কুমারের লিভ-ইন পার্টনার শাহিবাবাদ থানার রাজেন্দ্র নগর কলোনির একটি ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। তদন্তে পুলিশ সেই মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। এখন পুলিশের লক্ষ্য, সেই ঘটনাটি কি তিন কিশোরীর মৃত্যুতে প্রভাব ফেলেছে কিনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চেতন কুমারের জীবন ছিল জটিল এবং রঙিন। তার তিনজন স্ত্রী ছিলেন, যাদের সবাই একে অপরের বোন। আর আত্মহত্যা করা তিন কিশোরীর মধ্যে একজন বোনের সন্তান, বাকি দুইজন অন্য বোনের সন্তান।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চেতন কুমার ব্যবসায়ী হলেও অনেক টাকা দেনার বোঝা বহন করতেন। চলতি মাসে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে তিনি তিন কিশোরীর স্মার্টফোন বিক্রি করেছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তিন কিশোরী কোরিয়ান ড্রামার প্রতি যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন। তারা নিজেদের মোবাইল ফোনে এসব ড্রামা দেখতেন। ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তিন বোন একসাথে তাদের আবাসনের ছাদ থেকে লাফ দেন।

তদন্তে প্রকাশ, ঘটনার দিন তিন কিশোরী তাদের মায়ের কাছে মোবাইল ফোন চেয়েছিলেন। তবে, সেই ফোনে কোরিয়ান ড্রামা দেখা যাচ্ছিল না। এই কারণে কি তারা ছাদ থেকে লাফ দিয়েছে, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে-এটি এখনো পুলিশের কাছে রহস্যই রয়ে গেছে।

পুলিশ সূত্র আরও জানায়, তিন কিশোরীর সঙ্গে মায়েদের সম্পর্ক ভালো ছিল না। বরং তারা চেতন কুমারের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

চেতন কুমারের অতীত, দেনা ও পারিবারিক জটিলতা এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পুলিশের তদন্ত চলমান, এবং তারা এখন দেখতে চাইছে, আত্মহত্যার পেছনে মোবাইল ফোন বা পারিবারিক চাপ কতটা ভূমিকা রেখেছে।

এ পর্যন্ত পুলিশ তিন কিশোরীর মৃত্যুর সঙ্গে বাবার অতীত, পারিবারিক সম্পর্ক এবং মানসিক চাপের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। দেশজুড়ে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারছে না ইসরায়েল
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারছে না ইসরায়েল
ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত
ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সদরদপ্তরে হামলা চালিয়েছে ইরান
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সদরদপ্তরে হামলা চালিয়েছে ইরান