• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ইশরাক হোসেন

ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ ও নারীর ক্ষমতায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪০ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে গেলে ব্যবসায়ীদের নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয় এ বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন। নির্বাচিত হলে ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণ করতে পারেন, সে জন্য সরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও ফ্যাসিলিটেশন দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন । এতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এই অঞ্চলের বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে ।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানী সূত্রাপুরের ৪৩ নং ওয়ার্ডে ঢাকাস্থ নাগপুর বাসীর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, নাগরপুরবাসীসহ এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী, বাধাই সমিতি ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে সহায়তা দিতে তিনি কাজ করতে চান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এখানে অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য নাগরিক সেবার ঘাটতি রয়েছে। যানজট, দূষণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়াকেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার কথা জানান তিনি।

নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, বিএনপি প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার দিবে। তাঁর মতে, বাংলাদেশে মোট ভোটারের ৫২ শতাংশ নারী এবং ঢাকা-৬ আসনে নারী ভোটারের হার ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ। ফলে দেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, সে সিদ্ধান্তে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর নারীদের বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। তাঁদের কথাবার্তা ও আচরণ থেকে মনে হয়, তারা ক্ষমতায় এলে নারীদের গৃহবন্দী করতে পারে এবং পুরুষদের ব্যক্তিস্বাধীনতাও হরণ করতে পারে। 

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে সে আদর্শ রক্ষা করা জরুরি।

ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের অতীত ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত। গত তিনটি নির্বাচন হয়নি।সে সময় গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছিল এবং দেশকে একদলীয় শাসনব্যবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।তাই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি ।

নিজের পক্ষে স্বল্প সময়ে সব ভোটারের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের আহ্বান জানান, তাঁরা যেন পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ধানের শীষের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করেন। এটি দেশের ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্বের প্রশ্ন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, হুমকি ও ধামকি রাজনীতির ভাষা হতে পারে না। এসব বক্তব্য রাজনীতিসুলভ নয়। বিএনপি এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায় না এবং বিএনপির গণতান্ত্রিক উপায়েই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষ্পত্তির পক্ষে।

 ইশরাক হোসেন ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে বলেন, একটি ভোট দিয়ে তাঁকে সুযোগ দিলে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করবেন। ভোটাররা কেন্দ্রে গেলে ঢাকা-৬ আসনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
গুমের ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পরিবারগুলোর দায়িত্ব নেওয়ার অঙ্গীকার ইশরাকের
গুমের ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পরিবারগুলোর দায়িত্ব নেওয়ার অঙ্গীকার ইশরাকের
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ
হাবিবুর রশিদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ
৫২.৮০ শতাংশ ভোটার বিএনপি জোটকে ভোট দেবেন: জরিপ
৫২.৮০ শতাংশ ভোটার বিএনপি জোটকে ভোট দেবেন: জরিপ