• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নাজিয়া হক অর্ষা:

চাকরির অনিশ্চয়তায় শিক্ষিত তরুণদের টিকটক-ডলার আয় স্বাভাবিক

বিনোদন ডেস্ক    ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৬ পি.এম.
অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা-ছবি-ভিওডি বাংলা

জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা মন্তব্য করেছেন, চাকরির নিশ্চয়তা যেখানে তলানিতে, সেখানে শিক্ষিত তরুণদের টিকটক বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকে পড়া স্বাভাবিক। যদিও তিনি কন্টেন্ট ক্রিয়েশনকে সমাজের সময় নষ্ট হিসেবে দেখেন, তবুও এটাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করেন না।

সম্প্রতি একটি শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অর্ষা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকে পড়া কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তিনি বলেন,

“যে দেশে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেও চাকরি পাওয়া নিয়ে এত অনিশ্চয়তা, সেখানে বাচ্চারা টিকটক করে ডলার উপার্জন করবে-এটাই স্বাভাবিক। আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও ডলার আয় করতে পারি, তাহলে কেন করব না?”

অভিনেত্রী আরও উল্লেখ করেন, সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে যারা ডলার উপার্জন করছেন, তারাই প্রকৃতভাবে স্মার্ট ও উদ্যোগী। তিনি বলেন,

“প্রায়ই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পড়ি, একজন মাস্টার্স বা ডিগ্রি পাস করা যুবককে বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে চা বা ফুসকা বিক্রি করতে হচ্ছে। এটা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ার পর একজন তরুণের প্রায় ২৫ বছর চলে যায়। এরপরও কয়েক বছর চাকরি না পেলে তার পরিবার ও নিজের দীর্ঘ বিনিয়োগের ফলাফল কী হয়?”

তিনি আরও যুক্ত করেন, তুলনামূলকভাবে অল্পবয়সী তরুণরা টিকটক ও অনলাইন আয় শুরু করে নিজেদের জীবনকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করছে।

“তারা দেশ-বিদেশে ঘুরছে, নিজের উপার্জনে জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। সেই তুলনায় শিক্ষিত একজন তরুণ যদি বেকার থাকে, সেটা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

অর্ষার এই মন্তব্য যুব সমাজের মধ্যে ডিজিটাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উদ্যোক্তা মনোভাবকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং সীমিত সুযোগ শিক্ষিত তরুণদের সৃজনশীল ও স্বনির্ভর আয়ের দিকে আগ্রহী করছে।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি
রাফসান সাবাব: এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি
মৌসুমীর সঙ্গে বিয়ের গুজব, হাসান জাহাঙ্গীরের আইনি হুঁশিয়ারি
মৌসুমীর সঙ্গে বিয়ের গুজব, হাসান জাহাঙ্গীরের আইনি হুঁশিয়ারি
লবণ ছাড়া পান্তা খেয়েছিলেন দৈনন্দিন নাস্তা হিসেবে
ডা. এজাজুল ইসলাম শৈশবের গল্প: লবণ ছাড়া পান্তা খেয়েছিলেন দৈনন্দিন নাস্তা হিসেবে