জুলকারনাইন সায়ের:
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৪শ’ কারখানা বন্ধ, দেড় লাখ শ্রমিক বেকার

সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে প্রায় ৪০০টি শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে, যার ফলে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক। তিনি এই মন্তব্য করেন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে।
পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের উল্লেখ করেছেন, বন্ধ হওয়া শিল্পকারখানার মধ্যে বেশিরভাগই গার্মেন্টস, টেক্সটাইল এবং স্পিনিং মিল। এর মধ্যে কিছু কারখানা শতভাগ রপ্তানিমুখী। বন্ধ কারখানার কারণে শ্রমিকদের পরিবারসহ প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষকে প্রভাবিত হতে হচ্ছে, যদি প্রতিটি শ্রমিকের ওপর গড়ে তিনজন পরিবারের সদস্য নির্ভরশীল হয়।
তিনি আরও লিখেছেন, দেশে উৎপাদনকারী কলকারখানাগুলো রক্ষার জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ঘোষণা করেছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সব টেক্সটাইল মিল বন্ধ থাকবে।
জুলকারনাইন সায়ের প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনৈতিক বিষয়ে যথেষ্ট তৎপর দেখা গেলেও, একের পর এক মিল-কারখানা বন্ধ ও লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হওয়ার পর তারা কেন এ বিষয়ে তেমন কার্যকর উদ্যোগ দেখাচ্ছেন না। তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি স্লোগান জনপ্রিয়-‘ক্ষমতা না জনতা?’-যার প্রতিউত্তর শোনা যায় ‘জনতা-জনতা’।
তাহলে, দেশের শতাধিক কারখানা বন্ধ এবং লক্ষাধিক শ্রমিকের জীবিকা থেমে যাওয়া সত্ত্বেও, ছাত্র সংগঠনগুলোর নির্লিপ্ত আচরণে প্রশ্ন জাগে-জনতার জন্য আন্দোলন, নাকি শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য?
জুলকারনাইন সায়ের এই পোস্টে দেশে শিল্প খাত ও শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সচেতনতার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/জা







