• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের আনোয়ারায় সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০ ১০ জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে রেল সেবা: রেলমন্ত্রী পদ্মা সেতুর নিচ থেকে মাটি সরানো বন্ধ, গাছ লাগানো হবে: সেতুমন্ত্রী

দ্বৈত নাগরিকত্ব

নির্বাচন সামনে রেখে পরিকল্পিত অপপ্রচার: ড. কাইয়ুম

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৭ পি.এম.
ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম। সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ ও সেখানে সম্পত্তি থাকার অভিযোগ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে রোববার (১৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এই দাবি করেন তিনি।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে যে আমি ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক এবং সেখানে আমার বাড়ি বা বিনিয়োগ রয়েছে। এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যাচারে ভরা। ভানুয়াতুতে আমি কখনো পা রাখিনি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিক হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও আমার কখনো ছিল না।

তিনি জানান, ২০১১ সালের শুরু থেকে তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে তাকে লক্ষ্য করে একাধিকবার গুমের চেষ্টা চালানো হয়। এ পরিস্থিতিতে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন এবং পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেন।

ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর থেকে তিনি রিফিউজি কার্ড লাভ করেন। তৎকালীন সরকার তাকে জোরপূর্বক দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে তিনি মালয়েশিয়ার একটি শরণার্থী ক্যাম্পে প্রায় এক মাস অবস্থান করেন। ইউএনএইচসিআরের রিফিউজি কার্ড থাকার কারণেই মালয়েশিয়ান হাইকোর্ট তাকে ডিপোর্ট করার অনুমতি দেয়নি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসব ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বর্তমানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ও দেশে পুনরায় স্বাধীন পরিবেশ ফিরে আসার পর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে তিনি স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কথিত পাসপোর্ট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ফেক ডকুমেন্টগুলোর স্বাক্ষর তার প্রকৃত স্বাক্ষরের সঙ্গে মিল নেই। এসব নথি সম্পূর্ণ জাল।

নির্বাচনী প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে তিনি ভানুয়াতুতে বড় বিনিয়োগকারী, কখনো বলা হচ্ছে সেখানে তার সম্পত্তি রয়েছে। বাস্তবে এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, আমি সবসময় সত্য যাচাইয়ের পক্ষে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে রাজনীতিতে মিথ্যাচার বন্ধের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করব।

ভিওডি বাংলা/ এমএস/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের
সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের
অসচ্ছল নারীদের মাঝে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ
অসচ্ছল নারীদের মাঝে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ
ছাত্রদলের ধাওয়ায় আওয়ামী লীগের মশাল মিছিল পণ্ড
ছাত্রদলের ধাওয়ায় আওয়ামী লীগের মশাল মিছিল পণ্ড