জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে : গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘সরকার একটি চক্রের কুপরামর্শে একইদিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে। এটা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে।’
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে ৫ দাবিতে ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘আল্লাহ ছাড় দেয় ছেড়ে দেয় না, রাকসু নির্বাচন তার প্রমাণ। তিনবার গণভোট হয়েছে, একবারও নির্বাচনের দিন হয়নি। নির্বাচনের দিন গণভোটের নজির ইতিহাসে নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, একইদিনে গণভোট ও নির্বাচন চ্যালেঞ্জের বিষয়। যারা আয়োজন করবেন তারা বুঝে গেছেন, কিন্তু বিএনপি বুঝেনি।’
তিনি বলেন, ‘৮ দলের জোট নতুন জাগরণ তৈরি করেছে। মানুষের মনে আশা সঞ্চার হয়েছে নতুন বাংলাদেশ ইসলামের বাংলাদেশ হবে। এবারের সংগ্রাম চাঁদাবাজ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম।’
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমাদের ৮ দলের বার্তা জাগরণের বার্তা নিয়ে এসেছি। পরিবর্তনের বার্তা গ্রামে-গঞ্জে পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের এই ৮ দল আর ৮ দল থাকছে না, আমাদের সঙ্গে আরও অনেক দল আসার আবেদন করছে। নতুন বাংলাদেশ চাই।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে। একইদিনে নির্বাচন ও গণভোট হতে পারে না। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিড তৈরি করতে হবে। খুনীদের বিচার করতে হবে। উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে।’
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারি বলেন, ‘রক্ত দিয়েছি, রক্ত আরও দেব৷ তবু আগে গণভোট ও জুলাই সনদ কার্যকর করবো। তা ছাড়া দেশে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।’
সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শেখ মো. নুরুন্নবী, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি শেখ মো. সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম। মহাসচিব অধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী, নায়েবে আমির ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচ







