• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

একটি জাতির আত্মজীবনী হচ্ছে সংবিধান : রিজভী

   ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৫৭ পি.এম.

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমাদের অনেক ছাত্ররা সংবিধান বাতিল করে দিতে চায়। আমার মনে প্রশ্ন জাগে, আমি যে দলটি করি, ওই দলের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। যিনি দেশ বিদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। যারা ইতিহাসের লেখক তাদের কাছে তিনি স্বীকৃত। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক। সংবিধান বাতিল করে দেয়ার বিধান রচনা করে কী করবেন আপনারা? বলা হচ্ছে যে, একটি জাতির আত্মজীবনী হচ্ছে সংবিধান। যেখানে ফ্যাসিজমের বৈশিষ্ট্য আছে, ওটা বাদ দেয়া যেতে পারে। তবে সেটা তো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রকৃত নেতা। তিনিই ন্যাচারাল নেতা। তিনিই বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। সূক্ষ্মভাবে যেন তাই তাকেই টার্গেট করা হচ্ছে। যারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায় তারা তারেক রহমানকে সহ্য করছে না। এ কারণেই আমরা দেখি তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের বক্তব্য বিবৃতি আসছে।

নীলফামারীতে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে শহীদ গোলাম রাব্বানীর পরিবারের জন্য নব-নির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নীলফামারী, পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলার শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

যারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চান, বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার দিতে চান তাদের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, আজকে যখন শেখ হাসিনার ভাগ্নী শেখ রেহানার মেয়ে চার বিলিয়ন পাউন্ডের অভিযোগে ব্রিটেনের একটি তদন্ত সংস্থা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে কই এইটার জন্য তো আপনারা একটা বিবৃতি বা কোন খবরের কাগজে কোন কলাম লিখলেন না।

সে সময় রিজভী আরও বলেন, শুধু এই কথাটি বলতে চাই যে, দেখুন আজকে মানুষের প্রত্যাশার একটি পরিবর্তন হয়েছে। সেই পরিবর্তনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হয়েছে। সরকারকে বিএনপিও সমর্থন করেছে। কিন্তু এই সরকার যদি কোনো একটি দিকে হেলে যান, তাহলে তাদেরকে জনগণ কখনোই মেনে নেবে না। তাঁদের যে নিরপেক্ষতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা তা পালন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বর্তমান সরকার বলেন, আমাদের হাতে কোনো ম্যাজিক নাই। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রাতারাতি আমরা ঠিক করতে পারব না। এখানে ছিনতাই হচ্ছে, ডাকাতি হচ্ছে। এমনকি ব্যাংক ডাকাতি হচ্ছে। ব্যবসায়ী মারা যাচ্ছে, হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে, কেন? শ্রমিক অসন্তোষ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম কমাতে পারছেন না। সংকোচন নীতি নিয়েছেন ভালো কথা কিন্তু এমন সংকোচন নীতি নিয়েন না যে ব্যাংক মানুষ টাকা না পেয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করতে না পারে। একটা মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে হবে। যেন টাকা পাচার না হয় সেটাও দেখতে হবে। আবার মানুষ যাতে টাকা পেতে পারে সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। সেটি না করলে তো মানুষ কষ্টের মধ্যে থাকবে।

মামুন/ভিওডি বাংলা 


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আসিফ মাহমুদের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকের সাক্ষাৎ
আসিফ মাহমুদের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকের সাক্ষাৎ
বিএনপিতে যোগ দিলেন মেঘনা আলম
বিএনপিতে যোগ দিলেন মেঘনা আলম
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই