• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিল ইরান এই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নির্মূলে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার পুলিশে বড় রদবদল, একসঙ্গে ১২ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন সীমান্তে অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক সব জেলা-উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহ্যে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ঘুরে দেখলেন সোনামসজিদ

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভোগান্তিতে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৬ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস এন্ড হসপিটালে টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে বহির্বিভাগে থাকা চিকিৎসকের রুমের সামনে রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। শুধু তাই নয়, শয্যা সংকটে ফিরে যান অনেকেই। এমআরই, সিটিস্ক্যান কিংবা ভর্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় ২ থেকে ৩ মাস। স্নায়ু চিকিৎসায় একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল হওয়ায় সারা দেশের রোগীর চাপ সামলাতে রীতি মতো হিমশিম অবস্থা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর পর থেকে রোগীদের কাছে আস্থার নাম ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস এন্ড হসপিটাল। শিশু থেকে বৃদ্ধ সারা দেশের স্নায়ু রোগীরা চিকিৎসা নিতে ছুটে আসেন এখানে।

তবে, সেবা নেয়ার প্রতিটি ধাপে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকার অভিযোগ করে রোগীদের স্বজনরা বলছেন, সিরিয়াল পেতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগে। লাইনেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ভর্তি হতে হয় জোর করে! সেটাও লাগে কয়েক মাস সময়! এ সময়ে তো রোগী মারাও যেতে পারে। এখানে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক খুবই কম।
 
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্যাথলজি, রেডিওলজি ইমেজিংসহ অন্য বিভাগগুলোতে গাণিতিক হারে বাড়তে থাকে রোগীর চাপ। রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে এমআরআই, সিটিস্ক্যান ও অপারেশনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন।
 
চিকিৎসকরা বলছেন, গত ১৩ বছরে এই হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে প্রায় ৬ গুণ। ফলে বহির্বিভাগে একজন চিকিৎসককে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ জন করে রোগী দেখতে হয়।
 
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস এন্ড হসপিটালের আবাসিক সার্জন ডা. বশির আহমেদ খান বলেন, 
আমাদের সর্বোচ্চ ৫০ রোগী দেখা উচিত। সেখানে আমাদেরকে দেখতে হয় তিন থেকে চারশো রোগী। ফলে রোগীকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছি না।
 
অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বদরুল আলম জানান, হাসপাতালের কার্যক্রম বাড়াতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
 
তিনি বলেন, ‘রোগীদের অভিযোগ আমরা আমলে নিয়েছি। আশা করি, হাসপাতালটি পুরোদমে চালু হয়ে গেলে অভিযোগটি অনেকাংশেই কমে যাবে।’
 
পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলছেন, নতুন ভবন চালু হলে অভিযোগ ও সংকট অনেকাংশে কমে আসবে।
 
সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন ভবনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান পরিচালক। যেখানে স্নায়ু রোগীদের জন্য থাকবে বিশ্বের অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পদ্ধতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সিসিটিভিতে ধরা পড়লো ‘ভইরা-দে' গ্রুপের নৃশংসতা
সিসিটিভিতে ধরা পড়লো ‘ভইরা-দে' গ্রুপের নৃশংসতা
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক
নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক
২০২৬ সালে এসেও আমাদের বেতন ৪৪৬০ টাকা
২০২৬ সালে এসেও আমাদের বেতন ৪৪৬০ টাকা