• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
মাদক ঠেকাতে যুবসমাজকে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের আনোয়ারায় সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০ ১০ জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে রেল সেবা: রেলমন্ত্রী

দর্শক সংকট, ভেঙে ফেলা হবে মনিহার সিনেমা হল

যশোর প্রতিনিধি    ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০৭ পি.এম.
ছবি-ভিওডি বাংলা

যশোরের ঐতিহ্যবাহী ও দেশের বৃহত্তম সিনেমা হল মণিহার। এক সময় এটি ছিল এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম হল। যার সুনাম ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের সীমানা পেরিয়ে বাহিরের দেশগুলোতে। জাপান,  কোরিয়া, আফ্রিকা,  অস্ট্রেলিয়া,  রাশিয়া,  ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশ থেকে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা মণিহারে আসতেন সিনেমা দেখতে। সিনেমা হলটির আধুনিক স্থাপত্যশৈলী সিনেমােপ্রেমীদের মনে অল্প সময়ের মধ্যেই জায়গা করে নেয়। ফলে সহজেই খ্যাতি অর্জন করে।

এই সিনেমা হলটি একসময় ঢালিউডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। তৎকালে বাংলাদেশের অধিকাংশ চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী হতো মণিহারে। উদ্বোধনের পর মণিহারে প্রথম প্রদর্শিত হয় দেওয়ান নজরুল পরিচালিত, সোহেল রানা ও সুচরিতা অভিনীত চলচ্চিত্র জনি। 

কাজী মোহাম্মদ হানিফ নকশায় জিয়াউল ইসলাম মিঠুর মালিকানায় ১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যশোর আরএন রোড  হলটি নির্মাণ করা হয়।কিন্তু বর্তমানে এসে এই ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হলটি দর্শক সংকট কাটিয়ে উঠতে পারছে না। ফলে কর্তৃপক্ষ হলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

৪২ বছর আগে তৈরি হওয়া সিনেমা হলটি ২০১২ সালের ২২ জুলাই প্রথমবার সন্ত্রাসীদের হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে  বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ২০ দিন পর প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় এবং কর্মচারীদের দুর্দশার কথা বিবেচনায় সিনেমা হলটি পুনরায় চালু করা হয়। যদিও হলটির অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। সম্প্রতি হলটির অর্থনৈতিক অবস্থার আরো অবনতি হয়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হলটি এবার ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। হলটি ভেঙে সেখানে মার্কেটের বর্ধিতাংশ হিসেবে আবাসিক হোটেল তৈরি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সিনেমা হলটির মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠু।

গত ঈদের পর বেশ মন্দা সময় পার করছেন। সিনেমা না থাকায় এখন হলটিতে কলকাতার সিনেমা চালাচ্ছেন তারা। তাতেও দর্শক মিলছে না। এ ছাড়া সিঙ্গেল হলটি ছাড়াও একটি মাল্টিপ্লেক্স হল ‘মণিহার সিনেপ্লেক্স’ থাকায় সেটি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

হলটির মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠু বলেন, এখন তো ছবি নেই, ছবি না থাকলে হল কিভাবে চালাব। এখন কলকাতার ‘অভিমান’ সিনেমাটি চালাচ্ছি, যেটা এর আগে চারবার চালিয়েছি আর সিনেপ্লেক্সে চালাচ্ছি সালমান শাহের ‘বিক্ষোভ’ সিনেমাটি। এভাবে তো চালানো যায় না। তাই আমরা পরিকল্পনা করছি হলটি বন্ধ করে দেওয়ার।

লোকসানের পাল্লা ভারি হতে হতে এখন হলের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। হলটি ভেঙে মার্কেট করা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের হলের সিট সংখ্যা ১৪৩০টি। আমাদের স্টাফ আছে ২৫ জন। এভাবে তো চালানো যায় না। দেখা যায় পুরো মার্কেটে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে এক লাখ কিংবা দেড় লাখ। সিঙ্গেল হলটি ভেঙে হয়তো সামনে মার্কেটের জন্য জায়গা করব, আবাসিক হোটেলগুলোকে স্যাংকশন করব। তা ছাড়া আরেকটা সিনেপ্লেক্সও হতে পারে।

কবে নাগাদ এই সিঙ্গেল হলটি ভেঙে ফেলা হবে, সেটি এখন নিশ্চিত করতে না পারলেও জানালেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে, সেগুলো পাস হলে তারপর হয়তো ভাঙনের কাজ শুরু হবে।

ভিওডি বাংলা-জুবায়ের হোসেন/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
পুলিশের সামনেই আ. লীগের মিছিল, আটক ৪
পুলিশের সামনেই আ. লীগের মিছিল, আটক ৪
নবাবগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ক বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
নবাবগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ক বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ
বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ