• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

বরবটি-করলার সেঞ্চুরি, কাঁচামরিচের ডাবল সেঞ্চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫২ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে সবজির দাম গত তিন মাস ধরে ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে আলু ও কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই।

বিক্রেতারা জানান, দাম বাড়ায় তাদের বিক্রি কমেছে। অন্যদিকে ক্রেতারা এখন সাধারণত সবজি আধা কেজি করে কিনছেন।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

আজকের বাজারে প্রতি কেজি ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, প্রতি কেজি পটল ৮০ টাকা, প্রতি কেজি মুলা ৮০ টাকা, প্রতি কজি পেঁপে ৩০ টাকা, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া, প্রতিকেজি বরবটি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শাসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, কঁচু প্রতি কেজি ৫০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৫ টাকা, কঁচুর লতি প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী জাহিদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সবজির দাম বাড়ছে। আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এত দামে সবজি কেনা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি এক-একটি সবজি আধা কেজি করে কিনেছি। বাজার মনিটরিং বা নিয়ন্ত্রণে কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।”

মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা ইদ্রিস আলী জানান, “দামের কারণে আমাদের বিক্রিও কমে গেছে। আগে ক্রেতারা এক কেজি করে সবজি কিনতেন, এখন তারা আধা কেজি করে কিনছেন। একদিনে ২০ কেজি বিক্রি হতো, এখন ৫ কেজি।”

মগবাজারের বিক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, “কয়েকদিন সবজির দাম এভাবেই থাকবে। কারণ এখন বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। নতুন সরবরাহ বাজারে আসার আগে দাম উচ্চই থাকবে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বাড়ছে।”

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ-রুপার দামে উল্লম্ফন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ-রুপার দামে উল্লম্ফন
এপ্রিল ও মে মাসের পেট্রোল-অকটেন মজুদ রয়েছে
জ্বালানি বিভাগ এপ্রিল ও মে মাসের পেট্রোল-অকটেন মজুদ রয়েছে