{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ইরান ভ্রমণে ভারতীয় নাগরিকদের বিশেষ সতর্কতা ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ জুলাইয়ের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অ‌ভিনন্দন স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম নৈশভোজ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে: মির্জা ফখরুল যেভাবে নির্বাচন ছাড়াই বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের

১০ বছর ভাড়া না বাড়িয়েও রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ পি.এম.
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

গত ১০ বছরে যাত্রীভাড়া অপরিবর্তিত থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে রেলের মোট আয় হয়েছে ২ হাজার ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২২১ কোটি টাকা বেশি। একই সঙ্গে আয়-ব্যয়ের ব্যবধানও কমেছে, যা আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আয় ছিল ১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও যাত্রী পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফলে আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছে সংস্থাটি।

সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি এসেছে যাত্রী পরিবহন খাতে। এ খাতে আগের অর্থবছরের তুলনায় অতিরিক্ত ২৫৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। তবে ইঞ্জিন সংকটের কারণে মালামাল পরিবহন থেকে আয় ৩৪ লাখ টাকা কমেছে। এছাড়া ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা থেকে ৩ কোটি টাকা এবং অপটিক্যাল ফাইবার লিজ বাবদ আরও ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় হয়েছে।

অন্যদিকে পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিশেষ করে ভেন্ডিং লাইসেন্স ও বিবিধ খাত থেকে আয় প্রায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কমেছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেতন-ভাতা, পেনশন, রেলপথ ও রোলিং স্টকের রক্ষণাবেক্ষণসহ রেলের মোট পরিচালন ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। ফলে অপারেটিং রেশিও (ব্যয়-আয়ের অনুপাত) কমে দাঁড়িয়েছে ১.৯১, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২.০৯। অর্থাৎ, আগের তুলনায় আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান কিছুটা কমেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পেনশন ব্যয় পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় প্রকৃত আর্থিক চিত্র ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়। পেনশন ব্যয় বাদ দিলে পরিচালন ব্যয় দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা এবং অপারেটিং রেশিও নেমে আসে ১.৪৩-এ। সে ক্ষেত্রে আয়ের তুলনায় ব্যয় মাত্র ৪৩ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত গণপরিবহন সংস্থা হওয়ায় জনস্বার্থে যাত্রীভাড়া রেয়াতি পর্যায়ে রাখা হয়েছে। ২০১৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানো হয়নি। অথচ এ সময়ে রক্ষণাবেক্ষণ সামগ্রী, আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ, ডলারের বিনিময় হার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় অন্যান্য গণপরিবহনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যৌক্তিকভাবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হলে আয়-ব্যয়ের ব্যবধান আরও কমানো সম্ভব হবে। তাই বাংলাদেশ রেলওয়েকে কেবল লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়ন করা বাস্তবসম্মত নয়।

ভিওডি বাংলা/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অ‌ভিনন্দন
ফাইল ছবি
স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল