• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

লোহিত সাগরে হুথিদের হামলা, সৌদির দুই জাহাজে আগুন

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৩ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা করা দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে আনসার আল্লাহ (হুথি)। লোহিত সাগরে আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধ লঙ্ঘনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) হামলার বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।

গোষ্ঠীটির আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার জাহাজ দুটির নাম এনসেলিয়া এবং লায়লা। এই অভিযানে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, এই অভিযানের ফলে আরও প্রায় ১০টি জাহাজকে তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে, হামলার ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না সে বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি বলেন, এনসেলিয়া ও লায়লা নামের জাহাজ দুটি সৌদি বন্দরগামী জাহাজের ওপর আরোপিত অবরোধ লঙ্ঘন করায় এগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

মুখপাত্র সারি দাবি করেন, হামলায় উভয় ট্যাংকারে আগুন ধরে যায় এবং অভিযান তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে তিনি হামলার স্থান, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বা হতাহতের কোনো তথ্য দেননি।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) জানিয়েছে, সৌদি আরবের আল-শুকাইক উপকূল থেকে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার খবর পেয়েছে তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত সতর্কবার্তায় সংস্থাটি জানায়, ক্যাপ্টেনের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। এতে আগুন লাগে এবং নাবিকরা তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।

দুই দিন আগে হুথিরা সৌদি বন্দরের সঙ্গে বাণিজ্য করা জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। তারা সতর্ক করে বলেছিল, এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

হুথিদের দাবি, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখা এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আকাশপথে চলাচলে বিধিনিষেধ বজায় রাখতে সৌদি আরবের ভূমিকার প্রতিবাদেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হুথিরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা বিভিন্ন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে আসছে। এতে লোহিত সাগর হয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এ ঘটনা লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। একই সঙ্গে ২০২২ সালের জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সৌদি-ইয়েমেন যুদ্ধবিরতি হয়।  এরপর  উত্তেজনা কিছুটা কমলে সম্প্রতি আবারও তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/বিন্দু


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
অমিত শাহ-ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুল গান্ধীর
ফাইল ছবি
'ভিডিও দেখার সময় নেই', শিক্ষার্থীদের আবেদন খারিজ প্রধান বিচারপতির
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রেই বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছে ৬৩ মিলিয়ন দর্শক