{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথেও লড়াই করব: জামায়াত আমির

ঢাবি প্রতিনিধি    ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ পি.এম.
জামায়াত আমির
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমরা সংসদের ভেতরে লড়াই করব, প্রয়োজনে রাজপথেও লড়াই করব। যদি গণভোটের রায় ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ নির্বাচনী ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা হারাবে।’

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘রক্তাক্ষরে জুলাই’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘সংসদে দাবি আদায় হলে আলহামদুলিল্লাহ। আর যদি না হয়, তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমে সেই দাবি আদায় করা হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা জনগণের সঙ্গে বেইমানি করব না। জনগণের রায়কে অপমান করব না।’

তিনি বলেন, সরকার গঠনের আগে এবং নির্বাচনের আগে সবাই স্বাধীন বিচার বিভাগের কথা বলেছিল। কিন্তু নির্বাচন হওয়ার পর এখন আর সরকারি দল স্বাধীন বিচার বিভাগ চায় না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন, শক্তিশালী গুম-সংক্রান্ত কমিশন, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন তারা চায় না। তারা আগের ফ্যাসিবাদী কাঠামোই ধরে রাখতে চায়। এ জন্যই তারা গণভোটের গণরায়কেও মানতে চায় না।

এ সময় সরকারের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ে যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করুন। শুধু কিছু অর্থ দিয়ে তাঁদের পরিবারকে সহায়তা করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তাঁদের স্মৃতিকে জাতির সামনে তুলে ধরুন, তাঁদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখুন। কারণ, বর্তমান সরকার জুলাইয়েরই ফসল। আমরা যারা বিরোধী দলে আছি, তারাও জুলাইয়ের ফসল।’

দুঃখজনকভাবে অনেকেই উপকারীর উপকার ভুলে যান উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘জুলাইকে নিয়ে অনেকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। আমি বলব, তাঁরা ছোট মনের মানুষ। আত্মসম্মানবোধ থাকলে জুলাইকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার কোনো সুযোগ নেই।’

এখনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজনৈতিক অপচর্চার কবল থেকে পুরোপুরি মুক্ত হয়নি বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমির।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় এখনো অনেক কিছু করা হচ্ছে। আমরা চুপচাপ আছি বলে কেউ ভাববেন না যে আমরা ঘুমিয়ে গেছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর গণরুম হবে না। এই সুযোগ আর দেওয়া হবে না। গণরুম ও গেস্টরুমের কবর ২০২৪ সালেই রচিত হয়েছে, এটি আর ফিরে আসবে না। কেউ যদি ফিরিয়ে আনতে চায়, তাহলে তাদেরই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)।

ভিওডি বাংলা/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি জাকির হোসেন নান্নু। ছবি: সংগৃহীত
যুবদলের সাবেক সহসভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই
রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফেলা রাখা মানবতার ওপর আঘাত: রিজভী
রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফেলা রাখা মানবতার ওপর আঘাত: রিজভী
ছবি: সংগৃহীত
গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারও ব্যর্থ হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান