{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ফাইনালের ১ দিন আগে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেনটিনায় যোগ দিলেন দুই ব্রাজিল সমর্থক গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারও ব্যর্থ হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান মালয়েশিয়ায় ৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ৩১ পাসপোর্ট জব্দ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুরোনো ফর্মুলা চলবে না: আখতার হোসেন ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জাতীয় এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী বার্ন ইনস্টিটিউটে দীপুর দাপট, নেপথ্যে পরিচালক নাসির উদ্দীন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুইদিনে ডিএমপির ৩৫১২ মামলা বন্যার্ত কৃষকদের বীজ বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী মেধার সঙ্গে দেশপ্রেমের সমন্বয় ঘটাতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

জিয়াউর রহমানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন মোজাফফর

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাবেক সেনাকর্মকর্তা মো. মোজাফফর হোসেন। বর্তমানে তিনি সেনা হেফাজতে আছেন। 

মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানিয়েছেন যে, নিবন্ধনহীন ও বেনামে নিবন্ধনকৃত একাধিক সিমকার্ড ব্যবহার করে ওয়ান ইলেভেনের বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন।

তার মেয়ে একটি বেসরকারি মোবাইল সিম অপারেটর প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনিই বাবাকে নামে-বেনামে রেজিস্ট্রেশন করা নম্বরগুলো দিয়ে সহায়তা করেছেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত এই সেনা কর্মকর্তার অবস্থান শনাক্তের পর বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে বনানীর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিভিন্ন মোবাইলফোন অপারেটরের নম্বর ও অ্যাপে কথোপকথনের সূত্র ধরেই শনাক্ত করা হয় ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা এই সেনাকর্মকর্তাকে।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে জানা গেছে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিপ্লব সরকার ও জয় ব্যানার্জি নাম ধারণ করে ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর  দেশে ফেরেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর, আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে ছদ্মনামে কথা বলতেন মোজাফফর। সন্দেহভাজন নম্বরগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত কাজ করতে গিয়ে ‘জন ডো’ বলে একটি নাম পাওয়া যায়।

মাসুদ গ্রেপ্তারের পর তার পিএস ফারুকের সঙ্গেও কথা বলতেন মোজাফফর। লোকেশন গোপন করার জন্য ব্যবহার করত ভিপিএন।

চলতি বছরের ২৪ মার্চ রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলমান আছে। আর মোজাফফরের মামলাও এই ট্রাইব্যুনালে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোজাফফর প্রথম জাতীয় রক্ষীবাহিনীতে (জেআরবি) কমিশন পেয়েছিলেন এবং ১৯৮১ সালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

এ প্রসঙ্গে শুক্রবার (১৭ জুলাই) কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফরকে সেনা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। যে আইনে এ হত্যার বিচার করা হয়েছিল সে আইনেই তার বিচার করা যায়। বিষয়টি সেনাবাহিনী খতিয়ে দেখছে।

ভিওডি বাংলা/বিন্দু


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বহুমাত্রিক: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে অনুষ্ঠিত বৈঠক
প্রবাসী কার্ডে ১০ সুবিধা, কার্যক্রম শুরু আগস্টে
আতিকুর রহমান রুমন
আতিকুর রহমান রুমন ‘বিএনপি সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে’