ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যুদ্ধের ডাক আর্জেন্টাইন সমর্থকদের

ফ্রান্সের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার পর এক মিনিট নীরবতা পালন করেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা। তবে আবেগঘন সেই মুহূর্তের পরই তাদের পুরো মনোযোগ চলে যায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের দিকে। আসন্ন সেমিফাইনাল ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।
আটলান্টায় স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় হওয়ার কথা থাকলেও ফ্রান্স ও স্পেনের ম্যাচ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় তা কিছুটা পিছিয়ে যায়। ফ্রান্সের বিদায়ের পর কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তাঁর সতীর্থদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা। এরপরই শুরু হয় ইংল্যান্ডবিরোধী স্লোগান।
সমর্থকদের কণ্ঠে শোনা যায়, “যে লাফায় না, সে ইংরেজ”—এমন স্লোগান। পাশাপাশি উঠে আসে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বের স্মৃতিও। অনেক সমর্থক স্লোগান দেন, “ইংল্যান্ড, আরেকটু অপেক্ষা করো। শিগগিরই আমাদের দেখা হবে।”
যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের অন্যতম বড় জমায়েত দেখা গেছে আটলান্টায়। হাজারো সমর্থক জড়ো হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আবহ তৈরি করেন। আশপাশের ভবনগুলোতেও দেখা যায় আর্জেন্টিনার পতাকা।
তবে কিছু সমর্থকের হাতে থাকা পতাকা ও ব্যানার নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিশেষ করে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ-সংক্রান্ত ব্যানার নিয়ে আপত্তি রয়েছে। স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী, রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী কোনো পতাকা, ব্যানার বা সামগ্রী মাঠে নেওয়ার অনুমতি নেই।
এদিকে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিটের চাহিদাও বেড়েছে ব্যাপকভাবে। টিকিটের দামও আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি হয়ে গেছে।
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের এই লড়াই শুধু একটি সেমিফাইনাল নয়, দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ইতিহাস ও আবেগের এক নতুন অধ্যায় হিসেবেই দেখছেন সমর্থকেরা।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য