ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় বিচার শুরু

রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ডের রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ হত্যা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়েছে। ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য আগামি ১৯ জুলাই তারিখ ধার্য করেন।
শুনানির সময় জামিনে থাকা আসামিরা হাজির ছিলেন। কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।
আসামিরা হলেন- মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর। এরা কারাগারে আছেন।
মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ। এরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন।
এছাড়া মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন ও অপু দাস পলাতক।
আদালতে শুনানিতে জামিনে ও কারাগারে থাকা আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন বিচারক। উপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার চান।
এর আগে, চলতি বছরের ১০ মে সম্পূরক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ।
গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল দুর্বৃত্ত ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
নিহত সোহাগ কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। দীর্ঘদিন মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করতেন।
ভিওডি বাংলা/এফএ








মন্তব্য