সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে মাঠে নামার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শেষ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। মাঠ পর্যায়ে সাহস নিয়ে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য এ সম্মেলনে ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ডিসিদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাদের। গতকাল সম্মেলনের শেষ দিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগের ১১টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর পর দ্বিতীয় পর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নবনির্মিত ভবনে তিনটি অধিবেশন হয়েছে। নৈশভোজের মাধ্যমে রাত ১০টায় সম্মেলন শেষ হয়।
ডিসি সম্মেলনে এই প্রথমবারের মতো তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল অধিবেশন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আইনের মধ্যে থেকে জেলা প্রশাসকদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকেই নির্বাচনী প্রচার চালাতে এবং জনগণকে সচেতন করে তুলতে নির্দেশ দিয়েছি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের কোনো চাপ দেওয়া হবে না। কোনো চাপ এলে সেটা নিজেদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করতে হবে।’
ডিসিদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘ব্লেম গেম বাদ দেন। অতীতে কী হয়েছে, সেটা না বলে ভবিষ্যতে কী করবেন, সেটা নিয়ে ভাবেন; কাজ করেন। নির্বাচনের সময় ওপর থেকে কোনো চাপ আসবে না। ওপরের কোনো চাপ এলে সেটা ইসি সামলাবে। কারণ, সুষ্ঠু নির্বাচন করাই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টা যে সময়সীমা দিয়েছেন, সে সময় অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এর অংশ হতে চায় না।’
সিইসি আরও বলেন, ‘রিঅ্যাক্টিভলি নয়, প্রোঅ্যাক্টিভলি কাজ করতে হবে ডিসিদের। রাজনৈতিক সরকার না থাকলে আমলাতন্ত্র সেটা পরিচালনা করে। সেটা তারা করেছে। যেন স্বচ্ছভাবে করে, সেটাও বলা হয়েছে।’
ডিসিদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘ব্লেম গেম বাদ দেন। অতীতে কী হয়েছে, সেটা না বলে ভবিষ্যতে কী করবেন, সেটা নিয়ে ভাবেন; কাজ করেন। নির্বাচনের সময় ওপর থেকে কোনো চাপ আসবে না। ওপরের কোনো চাপ এলে সেটা ইসি সামলাবে। কারণ, সুষ্ঠু নির্বাচন করাই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টা যে সময়সীমা দিয়েছেন, সে সময় অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এর অংশ হতে চায় না।’
সিইসি আরও বলেন, ‘রিঅ্যাক্টিভলি নয়, প্রোঅ্যাক্টিভলি কাজ করতে হবে ডিসিদের। রাজনৈতিক সরকার না থাকলে আমলাতন্ত্র সেটা পরিচালনা করে। সেটা তারা করেছে। যেন স্বচ্ছভাবে করে, সেটাও বলা হয়েছে।’
ভিওডি বাংলা/এম







