• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা, আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় নতুন অগ্রগতি, যুদ্ধবিরতি বাড়ার ইঙ্গিত কেমন ছিল জিয়াউর রহমানের ৪৫ বছরের জীবন রাশিয়ার বড় হামলার আশঙ্কা, সহায়তা চাইলেন জেলেনস্কি শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর-দক্ষিণ বিএনপির পৃথক কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে যে আহ্বান জানালেন সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত চামড়া নিয়ে ঝামেলায় পড়লে আনসারকে বলুন ১৮ ঘণ্টায় ৪৮২৭ টন বর্জ্য অপসারণ, মোট ডাম্পিং ১৯৬৪১ টন শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার, উড়বে কালো পাতাকা

শহীদ জিয়ার জীবন অনুপ্রেরণার প্রতীক: রাষ্ট্রপতি

   ৩০ মে ২০২৬, ০২:২৬ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা এবং উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার কর্মময় জীবন ও আদর্শ জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

বাণীতে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার ভূমিকা জনগণের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, জাতি তার অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তার এই আহ্বান ও স্বাধীনতার ঘোষণা পুরো জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেছিল। যুদ্ধকালীন সাহসিকতা ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বহু পরিকল্পনা ও যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তার ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচিকে তিনি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছি: এলজিআরডিমন্ত্রী
আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছি: এলজিআরডিমন্ত্রী
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট
ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ত্রুটি পেয়েছে তদন্ত কমিটি
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ত্রুটি পেয়েছে তদন্ত কমিটি