মঠবাড়িয়ায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ২টি হত্যাকাণ্ড, আটক ২

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রোববার (২৪ মে) উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ফুলঝুরি গ্রামে নিজ বাড়ির পার্শ্ববর্তী স্থানে ইউসুফ শরীফ (৩৮) নামক ১ জনকে এবং উপজেলার ৬ নং টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের কাইয়ুম (২৮) নামক ১ জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
ইউসুফ শরীফ উপজেলার ফুলঝুরি গ্রামের আ. হক শরীফের পুত্র ও কাইয়ুম টিকিকাটা ১ নং ওয়ার্ডের আ. জালাল হাং-এর পুত্র।
ইউসুফ হত্যার ঘটনায় স্বাধীন নামক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, সকাল পৌনে ১১টার দিকে হঠাৎ চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে দেখি ইউসুফ শরীফকে স্থানীয় আলম শরীফের পুত্র আরাফাত (৩০) ও তার স্ত্রী দেশীয় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়, এর মধ্যে বেশ কিছু লোক জড়ো হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরেই ইউসুফ মারা যায়।
এলাকাবাসী জানায়, ইউসুফ একাধিক হত্যা ও চুরি-ডাকাতি মামলার আসামি ছিলেন।
অপরদিকে, উপজেলার টিকিকাটায় নিজ ঘরে অবস্থানকালীন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কাইয়ুম নামক একজনকে দেশীয় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ২৩ মে, শনিবার কাইয়ুমের বাড়িতে অজ্ঞাত পরিচয়ের দু’টি লোক এসে অবস্থান করছিলেন। কাইয়ুমের সাথে স্বাভাবিক চলাফেরা দেখে আত্মীয়-স্বজন ভেবে কেউ তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করেননি বলে জানান তারা। তবে কাইয়ুম হত্যার পর ওই অজ্ঞাত লোকদের আর দেখা যায়নি।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, পৃথক দুইটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইউসুফ ও কাইয়ুম নামক ২ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ইউসুফের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া ২ জনকে উপজেলার ফুলঝুরি গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। কাইয়ুমের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা ও দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নিহতদের স্বজন কর্তৃক দুটি পৃথক হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।
ভিওডি বাংলা/মর্তুজা/এমএস







