নতুন দায়িত্বে মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হচ্ছে ৮ মে। এ সিরিজই জাতীয় দলের সঙ্গে আপাতত শেষ অ্যাসাইনমেন্ট প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীনের। এরপরই প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দেবেন বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগে। সোমবার নতুন দায়িত্ব নিয়ে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে সালাহউদ্দীনের।
২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দীন। বিসিবির সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তির কার্যকাল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। পাকিস্তান সিরিজের পর এইচপির প্রধান কোচের পদে যোগ দিলেও সালাহউদ্দীনের চুক্তির মেয়াদ আপাতত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্তই থাকবে। এইচপির বর্তমান প্রধান কোচ ডেভিড হেম্পকে দেওয়া হবে অন্য দায়িত্ব।
জাতীয় দল ছেড়ে এইচপির দায়িত্ব নেয়ার বিষয়ে সালাহউদ্দীন বলেন, ‘এইচপিতে যারা থাকবে, তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। খেলার পাশাপাশি তাদের ক্রিকেটীয় চিন্তাভাবনা আর জীবনযাপন প্রণালিতেও উন্নতি আনাটা জরুরি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে।’
গত দেড় বছর জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করায় জাতীয় দলের কোথায় ঘাটতি, সেখানে কী ধরনের ক্রিকেটার প্রয়োজন; সে ব্যাপারেও তার ভালো ধারণা জন্মেছে। এইচপির দায়িত্ব নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই সেই কাজটা করতে চান সালাহউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের প্রয়োজনটা আমি এখন আরও ভালো করে বুঝি। যেমন সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের একজন ভালো অলরাউন্ডার দরকার, যে বোলিংয়ের পাশাপাশি ৭–৮ নম্বরে নেমে নির্ভরতা দিতে পারবে। এই ঘাটতিটা আমাদের থেকেই যাচ্ছে। এইচপিতে শুরু থেকেই আমার এ ধরনের ক্রিকেটারদের দিকে দৃষ্টি থাকবে।’
অনূর্ধ্ব–১৯, এইচপি, বাংলাদেশ টাইগার্স, জাতীয় দল—কয়েক বছর ধরে এই কাঠামোতেই চলছে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির কার্যক্রম। এবার সেখানেও আসবে পরিবর্তন। কাঠামোতে বাংলাদেশ টাইগার্স আর থাকছে না, যোগ হবে অনূর্ধ্ব–২৩ দল। যেটি অনূর্ধ্ব–১৯ আর জাতীয় দলের মধ্যে সিঁড়ি হিসেবে কাজ করবে। আর এইচপিতে নিচের দিক থেকে যেমন ক্রিকেটাররা উঠে আসবেন, প্রয়োজনে বিশেষায়িত অনুশীলনের জন্য জাতীয় দল থেকেও ক্রিকেটার এখানে আসবেন।
এইচপি নিয়ে নিজের চিন্তাভাবনা জানিয়ে সালাহউদ্দীন বলেন, ‘তিন–চার মাসের ক্যাম্প করে লাভ নেই। এইচপির কার্যক্রম সারা বছর চলবে। এইচপির মূল উদ্দেশ্য থাকবে ক্রিকেটারদের বিশেষ কিছু শিখিয়ে উপরের দিকে পাঠানো।’
ভিওডি বাংলা/ এফএ







