ইরানের নতুন প্রস্তাব, জবাবে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের কাছে নিজেদের সর্বশেষ প্রস্তাবের পাঠ্য হস্তান্তর করেছে তেহরান।
তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি রয়টার্সকে বলেন, ব্যক্তিগত কূটনৈতিক আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান ও তার মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত আটটি দেশে অবস্থিত ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপনা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর একাধিক সূত্রের সাক্ষাৎকার এবং ডজনখানেক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন সম্পর্কে অবগত এক কংগ্রেস সহকারী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনা অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। কোথাও পুরো স্থাপনা ধ্বংস হয়ে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, আবার কোথাও কৌশলগত কারণে মেরামতের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে।
আরেক মার্কিন সূত্রের ভাষ্য, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনো দেখেননি। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং সামরিক বিমানঘাঁটি। এসব সম্পদ অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দ্রুত প্রতিস্থাপন করাও সহজ নয়।
একই কংগ্রেস সহকারী বলেন, হামলাগুলো ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত ও কৌশলগত। সবচেয়ে কার্যকর এবং সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুগুলোই বেছে নেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ব্যবস্থাগুলোই সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং সীমিত সামরিক সম্পদের অন্যতম।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ/আ







