১৪ শ্রম আদালতে বিচারাধীন সাড়ে ২৭ হাজার মামলা

সারা দেশে ১৩টি শ্রম আদালত ও একমাত্র শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মোট বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫৪৬টি। এর মধ্যে ৭০টি মামলা উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে।
শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৩ শ্রম আদালতে ২৬ হাজার ৪৫৩ এবং শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে এক হাজার ৯৩টি মামলা বিচারাধীন। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে থাকা ৭০টি মামলা স্থগিত রয়েছে উচ্চ আদালতের আদেশে।
এসব আদালতে ৬ মাসের (১৮০ দিন) বেশি সময় ধরে বিচারাধীন রয়েছে ১৩ হাজার ৮৩৩টি মামলা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকার তিনটি আদালতে যথাক্রমে ৪ হাজার ৪৯৩, ৬ হাজার ৩৯৮ ও ৩ হাজার ১৬৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
চট্টগ্রামের দুটি শ্রম আদালতে যথাক্রমে ১ হাজার ৬৭০ এবং ৮৬৯টি মামলা রয়েছে। এছাড়া খুলনায় ১৬৪টি, রাজশাহীতে ৮৫টি, রংপুরে ১০২টি, সিলেটে ৬৪টি, বরিশালে ৬৮টি, নারায়ণগঞ্জে ২ হাজার ৮১৫টি, কুমিল্লায় ৩২৬টি এবং গাজীপুরে ৬ হাজার ২৩০ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণঞ্জ ও চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি শ্রম মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে তিন আদালতে মামলা রয়েছে ১০০টিরও কম। ২০০টির কম মামলা রয়েছে দুটি শ্রম আদালতে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮ ও ২০২২) অনুযায়ী, শ্রম আদালতে দায়েরকৃত মামলা ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি সম্ভব না হয়, তবে উপযুক্ত কারণ লিখে আদালত সময় আরও ৯০ দিন বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে আইনে ১৫০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে।
আইনজীবী, ভুক্তভোগী ও আদালতের অন্যান্য সূত্রের তথ্যমতে, শ্রম আদালতে দেওয়ানী ও ফৌজদারী দুই ধরনের মামলাই হয়। দেওয়ানি মামলাগুলো মূলত কর্মীদের বেতন বকেয়াসংক্রান্ত। অন্যদিকে ফৌজদারি মামলাগুলো মূলত কারখানামালিকদের আইন না মানা-সংক্রান্ত। মামলাগুলো করেছে মূলত কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডাইফ) পরিদর্শক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো। এ ছাড়া রয়েছে শ্রম আদালতের আদেশ অবমাননা-সংক্রান্ত মামলাও।
ভিওডি বাংলা/এসআর







