মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুরের সম্মানে সড়কের নামকরণ : আবদুস সালাম

“মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর সড়ক” নামকরণের মাধ্যমে একজন প্রখ্যাত ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর ফুলবাড়িয়া ফনিক্স রোডে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা “মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর সড়ক”-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, একজন পবিত্র ও প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতার নামে সড়কটির নামকরণ করতে পারা গৌরবের বিষয় এবং এর মাধ্যমে তাঁর আদর্শের ধারাবাহিকতায় সামান্য হলেও শরিক হতে পেরেছি।
তিনি জানান, লালবাগ হুজুরের মসজিদ পরিদর্শনের সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে সড়কটির পূর্ব নামকরণ সংক্রান্ত বিষয়টি জানতে পারেন এবং তখনই পুনরায় ওই নামে নামকরণের প্রতিশ্রুতি দেন। পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সম্মতি নিয়ে “মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর সড়ক” নামে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এডিস মশা মূলত পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। তাই প্রতিটি বাড়ি, আঙিনা, ছাদ এবং ঘরের ভেতরে জমে থাকা পানিও পরিষ্কার রাখতে হবে। মশার উৎসস্থল ধ্বংসে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, কার্যকর কীটনাশক ব্যবহারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। আইসিডিডিআরবি’র অনুমোদন ছাড়া কোনো ওষুধ ব্যবহার করা সম্ভব নয়। নতুন ও উন্নত ওষুধের বিষয়ে চেষ্টা চললেও এখনো সেগুলোর অনুমোদন মেলেনি। পাশাপাশি মশা নিধনে ফগার মেশিনের সংখ্যা বাড়াতে নতুন ক্রয়ের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
হাম পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতের গাফিলতির কারণে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বারবার নির্দেশনা দিচ্ছেন বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, অনেকেই কাজ শুরু হওয়ার আগেই সমালোচনা করছেন। তবে সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকাবাসীসহ সারা দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনে যেভাবে নিরঙ্কুশ সমর্থন দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনি আগামী দিনগুলোতেও সরকারের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নগর উন্নয়ন ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
উল্লেখ্য, মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ:) ইসলামিক দর্শনের সামনে রেখে লালবাগে ও কামরাঙ্গীরচরে ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি রাজনীতি করতেন এবং ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম করার বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
ভিওডি বাংলা/এসআর







