শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলার পেছনে পরিকল্পনা: শিবির সভাপতি

যশোরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের বিডি হলে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক অস্থিরতা, গ্রাফিতি অবমাননা এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার জন্য ছাত্রদল ও বিএনপিকে দায়ী করেন।
তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এছাড়া জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে আঁকা গ্রাফিতি মুছে সেখানে আপত্তিকর লেখা দেওয়া হয়েছে, যা শহীদদের স্মৃতির প্রতি অবমাননা।
নূরুল ইসলাম সাদ্দাম অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে ফেরার পথে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের কর্মীরা হামলা চালায়। এ সময় হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষকও আহত হন। পরে বিকেলের প্রতিবাদ মিছিলেও বহিরাগতদের দিয়ে পুনরায় হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতা ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরাতেই বিএনপি পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন তিনি।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সমাজের অন্যায় ও বিশৃঙ্খলা দূর করা সম্ভব। ছাত্রশিবির ক্ষমতার জন্য নয়, বরং একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
যশোর জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি এম মিনারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আবু জাফরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মাদরাসা সম্পাদক হাফেজ ইসমাইল হোসেন। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, আবু জাফর, মনিরুল ইসলাম, এইচ এম শামীম ও গাজী মুকিতসহ অন্যরা।
ভিওডি বাংলা/জুবায়ের হোসেন/আ







