• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ড. ইউনূস আমাকে মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম ‘বাংলাদেশ’ নামে সড়ক হচ্ছে আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশ আগামীতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে: রাষ্ট্রপতি পাঠ্যক্রমে খেলাধুলা অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে: প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ: ত্রাণমন্ত্রী চাঁদা না পেয়ে বিউটি পার্লারে হামলা, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে আহত ১৫ রাজধানীর পল্লবীতে হাতেনাতে ছিনতাইকারীকে আটক করল ট্রাফিক পুলিশ

রমে আখের রস কি সবার জন্য নিরাপদ?

লাইফস্টাইল    ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৭ পি.এম.
ছবি-ভিওডি বাংলা

গরমের তীব্রতায় তৃষ্ণা মেটাতে আখের রস অনেকের কাছেই জনপ্রিয় একটি পানীয়। রাস্তার পাশে ঠান্ডা আখের রস খেলে তাৎক্ষণিক সতেজতা পাওয়া যায় এবং ক্লান্তিও কিছুটা কমে আসে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রাকৃতিক পানীয়টি সবার জন্য সমানভাবে নিরাপদ নয়। আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এটি ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সতর্কতা

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আখের রস পান করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। এক গ্লাস আখের রসে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত চিনি থাকতে পারে, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। এর গ্লাইসেমিক লোডও তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় শরীরে ইনসুলিনের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিক রোগীরা খুব ইচ্ছা করলে অল্প পরিমাণে পান করতে পারেন, তবে নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে গ্রহণ একেবারেই অনুচিত।

ফ্যাটি লিভারে ঝুঁকি বাড়ায়

ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য আখের রস ক্ষতিকর হতে পারে। এতে থাকা উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। যাদের ইতোমধ্যে লিভারজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই পানীয় এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ।

পেটের সমস্যা থাকলে সাবধান

যারা নিয়মিত গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য আখের রস পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে। এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি এবং কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেক সময় এটি অন্ত্রে গাঁজন সৃষ্টি করে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। তাই এমন সমস্যা থাকলে আখের রস সীমিত পরিমাণে বা একেবারেই না খাওয়াই ভালো।

স্থূলতা ও ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি

ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের জন্য আখের রস তেমন উপকারী নয়। একটি গ্লাস আখের রসে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ ক্যালোরি থাকতে পারে, তবে এতে ফাইবার না থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ঝুঁকি তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে ওজন বাড়াতে পারে। যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও এটি এড়িয়ে চলা ভালো।

দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় সতর্কতা

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম, তাদের রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া আখের রস পান করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। অনেক সময় এসব জায়গায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা পানি ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না, যার ফলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে ই. কোলাইসহ বিভিন্ন জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সম্ভব হলে পরিষ্কার ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তৈরি রস গ্রহণ করা উচিত।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বিদ্যুতের মিটার রিচার্জে ২২০ ডিজিটের টোকেন এলে যা করবেন
বিদ্যুতের মিটার রিচার্জে ২২০ ডিজিটের টোকেন এলে যা করবেন
কেন হয় মুড সুইং?
কেন হয় মুড সুইং?
ঘুমের শত্রু ছারপোকা
ঘুমের শত্রু ছারপোকা