• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার বাজারে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হতেই তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায় বলে এক আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চললেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইরানের সমালোচনা করে বলেন, তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে “খুব খারাপ কাজ করছে”। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, জাহাজ থেকে ফি আদায়ের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ করতে হবে।

সাম্প্রতিক হামলার কারণে সৌদি আরবের তেল উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এসব হামলায় প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমেছে। পাশাপাশি পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহনও দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল কমে গেছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির খবরে বাজারে কিছুটা ওঠানামা দেখা গেলেও জ্বালানির দাম সাধারণ মানুষের নাগালে ফিরতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেও দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হবে বলে তারা ধারণা করছেন।

হরমুজ প্রণালি ও সরবরাহ সংকট

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। সংঘাতের কারণে এটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। চুক্তির মাধ্যমে কিছুটা খুলে দেওয়া হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

ট্যাংকার সংকট

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় বড় তেলবাহী জাহাজগুলো বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দূরে অবস্থান করছে। এসব জাহাজ আবার উপসাগরীয় অঞ্চলে ফিরে এসে তেল পরিবহন শুরু করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

নিরাপত্তা শঙ্কা

স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির মধ্যে বড় বিনিয়োগ ও জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি নিতে অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তেলকূপ চালুর জটিলতা

দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় এবং তীরবর্তী মজুতাগার পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেক তেলকূপ বন্ধ করতে হয়েছিল।

ধীর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া

তেলকূপ বা পরিশোধনাগার পুনরায় চালু করা সহজ কাজ নয়; এটি সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া।

অবকাঠামোর ক্ষতি

যুদ্ধের সময় বহু জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো মেরামতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩৬ কোটি ডলার
১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩৬ কোটি ডলার
এসবিএসি ব্যাংকের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
এসবিএসি ব্যাংকের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল