দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ কোনটি, আসছে সমাধান

তাজিংডং, কেওক্রাডং না-কি সাকা হাফং? কোনটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ? এ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চলছে বিতর্ক। যা অবসানে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের নিষ্পত্তি হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি তা সরকারিভাবে নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের একটি অভিজ্ঞ জরিপদল ৪-১২ এপ্রিল বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় অবস্থিত পাহাড়গুলো পরিমাপ করে সর্বোচ্চ পাহাড়ের শীর্ষবিন্দু নির্ণয় করবে।
জরিপ অধিদপ্তর আধুনিক জিওডেটিক পদ্ধতি ও উন্নত গ্লোবাল ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম (জিএনএসএস) প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের গড় সমুদ্রতল হতে উচ্চতা (এমএসএল) নির্ধারণের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত জরিপ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালনা করবে। যার লক্ষ্য সর্বোচ্চ শৃঙ্গের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ এবং গড় সমুদ্রতল হতে উচ্চতা (এমএসএল) উভয় ক্ষেত্রেই সেন্টিমিটার স্তরের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা।
জরিপ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিবেন অধিদপ্তরের সার্ভেয়ার জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার। তত্ত্বাবধানে থাকছেন উপপরিচালক দেবাশীষ সরকার।
জরিপ কার্যক্রমের জন্য সদ্য প্রস্তুতকৃত জিওড মডেলের মাধ্যমে জিএনএসএস রিসিভার হতে প্রাপ্ত ‘ইল্লিপসয়েড হাইট’ থেকে পর্বতশৃঙ্গের এমএসএল উচ্চতা নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা সম্ভব। জরিপ দলটি বান্দরবান জেলার থানচি, রেমাক্রি, রুমা ও তিন্দু ইত্যাদি দুর্গম এলাকায় গমন করে ডুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি জিএনএসএস রিসিভার, আরটিকে রিসিভার, টোটাল স্টেশন, লেভেল মেশিন, জিএনএসএস সিওআরএস এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাহাড়গুলোর চূড়ার উচ্চতা নির্ণয় করবে।
ভিওডি বাংলা/আরআর/এমএস







