নিয়োগ আছে, কর্মকর্তা নেই
রাঙ্গাবালী হিসাবরক্ষন অফিসে মিললো অনুপস্থিতির চিত্র

উপজেলা পর্যায়ের সরকারি সেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলো উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন, উৎসব ভাতা থেকে শুরু করে উন্নয়ন প্রকল্পের বিল উত্তোলন সবই এই দপ্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তরই যদি কার্যত কর্মকর্তা শূন্য থাকে, তাহলে জনসেবার চিত্র কেমন হতে পারে।
এমনই বাস্তব চিত্র দেখা গেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিসে।
জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এই দপ্তরের অডিট পদে নিয়োজিত থাকা পারভেজ ইসলাম নিয়মিত রাঙ্গাবালী অফিসে উপস্থিত না থেকে পার্শ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলায় অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি নিজেও বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে আমি গলাচিপা থেকেই রাঙ্গাবালীর দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করি।
এছাড়া একই দপ্তরের এসএএস সুপার আশরাফ উদ্দিনের বিরুদ্ধেও নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র বলছে, দপ্তরের বেশিরভাগ কার্যক্রমই গলাচিপা উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে পরিচালিত হচ্ছে। দপ্তরের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এভাবেই কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসএএস সুপার আশরাফ উদ্দিন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যমে কোনো তথ্য বা বক্তব্য দেওয়ার পারমিশন নেই। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এটিকে দপ্তরের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, তাদের দপ্তরের কার্যক্রম অন্যান্য দপ্তরের তুলনায় ভিন্ন নিয়মে পরিচালিত হয়।
অন্যদিকে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা একাউন্টস অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও একইভাবে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ভিওডি বাংলা/মোঃ কাওছার আহম্মেদ/আ







