যুবলীগ নেতা জিন্নাহ’র বিরুদ্ধে হামলা ও অনিয়মের অভিযোগ

সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের যুবরাজ নামে পরিচিত শহরের বহু অপকর্মের হোতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ’র নেতৃত্বে দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এজলাসে এই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে জেলা শহরে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। নেক্কারজনক এই ঘটনার নেপথ্যের কারণ খুজঁতে একে একে বেড়িয়ে আসছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমানে জেলা যুবলীগের নেতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ’র অপরাধ জগতের সব চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রবিন সাংবাদিক জানান, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগ নেতা জিন্নাহ সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে অনৈতিক সুবিধা দাবি করে আসছিলো, রেজিস্ট্রি অফিসেও একই দাবি করে জিন্নাহ। অফিস ও সমিতি প্রতিবার প্রত্যাখান করে এমনটা শহরে চাওর আছে।

প্রত্যক্ষ্যদর্শী মেহেদী জানান, ঘটনার সময় নামধারী ওই সাংবাদিক এজলাসের ভিতরে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রভাব খাটিয়ে ভারতীয় নাগরিকের ভূয়া এনআইডি দিয়ে জাল পাসপোর্ট তৈরী করে জমি রেজিস্ট্রি করার পায়তারা করে। সমিতির নেতৃবৃন্দ ও অফিস স্টাফরা এজলাসে হট্টগোল করতে নিষেধ করলে সে চড়াও হয় এবং তার সাথে থাকা শহরের চিহ্নিত ছাত্রলীগ ক্যাডার আনোয়ান সুমনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এসময় দলিল লেখক সমিতির সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হয়।
অভিযুক্ত জিন্নাহ’র বিরুদ্ধে বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চাঁদাবজি, মাদক সেবন, ঠিকাদারি ও আমদানি-রপ্তানির লাইসেন্স তৈরী, জমি দখল, ভুয়া কাগজ তৈরী করে জমি রেজিস্ট্রি সহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যাক্তিদেরকে নারী সরবরাহের অভিযোগ এখন ওপেন সিক্রেট। মাদকাশক্ত নারী লোভী জিন্নাহ’র বিরুদ্ধে আছে ধর্ষণ মামলাও।
এঘটনায় সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক প্রদিপ কুমার ঘোষ দলিল গ্রহিতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ’র বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন। অপরদিকে ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিক তরিকুল ইসলাম কর্তৃক সাতক্ষীরা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্কুল ফাঁকি দিয়ে একজন স্কুল শিক্ষক (নামধারী জমির দালাল) ও বর্ণচোরা দাদা নামধারী সাংবাদিকের নেতৃত্বে একটি চক্র যুবলীগ নেতা জিন্নাকে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাজিয়ে তদবিরে নেমেছে বলে অভিযোগ আসে এবং অনুসন্ধানে এর সত্যতা মিলেছে।
ভিওডি বাংলা/আবদুল্লাহ আল মামুন/আ







