চলতি মাসে জ্বালানি নিয়ে দেশে ৩২ জাহাজ, পথে আরও ৪টি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি খাতে—এরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে। নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, জ্বালানি নিতে আসা যানবাহনের দীর্ঘ সারি। অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যদিও সরকার নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তবুও গ্রাহকদের চাপ কমছে না।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে ঘিরে আতঙ্কের কারণে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। ফলে স্বাভাবিক সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।
পেট্রোল পাম্প সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, অনেক চালক একাধিকবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করছেন, এমনকি ভিন্ন ভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকেও জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। এতে করে দ্রুত মজুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। বাস্তবে বড় কোনো ঘাটতি না থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদা একটি কৃত্রিম সংকটের পরিবেশ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২টি জাহাজ দেশে এলপিজি, এলএনজি ও ক্রুড অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে এসেছে। এছাড়া নিউ ব্রেভ, পল, পিবিটি সোলানা ও সেলশিয়াস গ্যালাপাগোজ নামের আরও চারটি ট্যাংকার এলএনজি, এলপিজি ও গ্যাস অয়েল নিয়ে দেশের পথে রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







