গুম-নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, মন্ত্রণালয়ে নতুন করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ যুক্ত করা হয়েছে। এই অধিদপ্তরের অধীনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের উদ্যোগে বিগত আন্দোলন ও সংগ্রামে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের অধীনস্থ গু'ম, খু'ন এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিষয়টি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। বিশেষ করে গত ১৭ বছরে যারা গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের পরিবারকে পুনর্বাসন ও সহায়তা দেওয়ার জন্য আলাদা একটি শাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ঈদের পরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব রাখবেন, যাতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কার্যক্রম হাতে নেওয়া যায়।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রত্যেকটা আন্দোলনই কিন্তু একই সূত্রে গাথা।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মানুষের ভোট ও মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষার জন্যই আন্দোলন হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রজনতা প্রাণ দিয়েছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছে দেশ রক্ষার জন্য।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে অনেক ছাত্রনেতা গুম হয়েছেন। তাদের পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের দিকে অনেক গুম খুন হয়েছে অনেক শিশু তখন ছোট ছিল, এখন বড় হয়ে গেছে; তাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, গুম, খুন ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে বিচার করা হবে।

ইশরাক হোসেন বলেন, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে—যেকোনো অবস্থান থেকেই তিনি এসব পরিবারের পাশে আছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, তাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা এবং যাদের নিজস্ব বাসস্থান নেই তাদের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ঈদের পর কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এসব পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে।
শেষে তিনি উপস্থিত সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় আর উপস্থিত ছিলেন সড়ক, নৌ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, দক্ষিন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহিম সহ প্রমুখ।
ভিওডি বাংলা/সবুজ/আ







