• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

দায়িত্ব পালন করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:০৩ পি.এম.
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী -ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি দেশ ও সমাজের প্রতিটি নাগরিককে তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি বিশ্বাস করি আমরা একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।”

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষরা এমন ব্যক্তি যারা কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া জনগণের সম্মান অর্জন করেছেন। জীবনের কঠিন মুহূর্তে তারা মানুষকে সঠিক পরামর্শ দেন এবং সমর্থন দেন। তিনি বলেন, “সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তো কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য সম্মানি বা আর্থিক সহায়তা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করা হলে আমরা সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারব। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রদত্ত সম্মানীর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা, যেখানে ইমাম পাবেন ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। প্রতিটি মন্দিরে থাকবে ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার এবং সেবায়েত ৩ হাজার টাকা। একইভাবে প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা ভাগাভাগি করে পাবেন। প্রতি খ্রিস্টান চার্চে ৮ হাজার টাকা প্রদান করা হবে, যার মধ্যে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার এবং সহকারী পালক বা যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে প্রতি উৎসব ১ হাজার টাকা করে দুইবার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে প্রতি উৎসব ২ হাজার টাকা বোনাস হিসেবে প্রদান করা হবে। তবে সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার বাইরে থাকবে।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই সম্মানী প্রদানে মোট ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা খরচ হবে। পরবর্তী প্রতি অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হবে এবং আগামী ৪ বছর ধরে এটি ধারাবাহিকভাবে প্রদত্ত হবে। সম্মানী প্রদান ব্যাংকের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে এবং ধাপে ধাপে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি কার্যকর করা হবে।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
তদ্বির নয়, মেধাকেই গুরুত্ব দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল
তদ্বির নয়, মেধাকেই গুরুত্ব দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল
উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের
উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের
মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকারের তালিকার ভুলগুলো চিহ্নিত করা হবে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকারের তালিকার ভুলগুলো চিহ্নিত করা হবে