মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে ব্যাংকগুলো

প্রবাসী আয় কেনায় ডলারের দাম বেড়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দাম বেড়েছে- এ কারণ চিহ্নিত করে বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। তারা দাম নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ডলারের বাজারে দাম বৃদ্ধিতে উৎসাহী।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর একাধিক সূত্র বলছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ১২২ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত দামে প্রবাসী আয় কিনছে ব্যাংকগুলো। ফলে আমদানিতে ডলারের দাম ১২৩ টাকা পর্যন্ত উঠে গেছে। এক সপ্তাহ আগেও আমদানিতে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম নিয়েছিল ব্যাংকগুলো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আমদানিকারক বলেন, ব্যাংকগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে। হঠাৎ করে আমদানিতে ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এখন ভোক্তাপর্যায়ে দাম বেড়ে যাবে।
ব্যাংকসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যুদ্ধের কারণে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় বিদেশি রেমিট্যান্স হাউসগুলো ডলারের দাম বেশি প্রস্তাব করছে। আগে ১২২ টাকা দরে ডলার প্রবাসী আয়ের ডলার কেনা যেত। সেটা বেড়ে এখন ১২৩ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে আমদানিতে ডলারের দাম বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত মুদ্রার হারসংক্রান্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেখানেও ডলারের দাম ২৫ পয়সা বেড়ে গেছে। ৩ মার্চ ডলারের গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ১২২ টাকা ৫৮ পয়সা।
তবে একজন শীর্ষ ব্যাংকারের অভিমত হচ্ছে, ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি বাড়বে না, এমন বার্তা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দাম এখনো ১২৩ টাকার ওপরে ওঠেনি। তবে আমদানি দায় মেটানোর চাপ ও সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়বেই। তখন রিজার্ভ থেকেও ডলার–সহায়তা দিতে হবে। তাই ভালো হয় ডলারের দাম বাজারভিত্তিক করে দিয়ে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।
ভিওডি বাংলা/আরআর







