ঈদযাত্রা:
আজ বিক্রি হচ্ছে ১৮ মার্চের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রোববার (৮ মার্চ) ষষ্ঠ দিনের মতো অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, আজ সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৮ মার্চের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। একই দিনে দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
রেলওয়ের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ৩ মার্চ। ১৪ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৪ মার্চ, ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ এবং ১৭ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ৭ মার্চ। এছাড়া আগামী ১৯ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে ৯ মার্চ।
এদিকে ঈদের সময় যাত্রীদের চাপ বিবেচনায় অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের ট্রেনের টিকিট বিক্রির তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
রেলওয়ে জানায়, যাত্রীদের সুবিধার্থে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ টিকিট দাঁড়িয়ে ভ্রমণের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এসব টিকিট ট্রেন ছাড়ার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেনের প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
এদিকে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়াতে অনলাইনেই টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যাত্রীরা মোবাইল অ্যাপ ‘Rail Sheba’ অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজেই অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হলে প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিবন্ধিত ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রার প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন এবং ভ্রমণের শ্রেণি নির্বাচন করে ‘Find Ticket’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে যাত্রীদের সামনে ট্রেনের নাম, ছাড়ার সময় এবং আসন খালি আছে কি না-এসব তথ্য প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে পছন্দের ট্রেন নির্বাচন করে ‘View Seats’ অপশনে গিয়ে খালি আসন থাকলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী সিট নির্বাচন করা যাবে।
এরপর ‘Continue Purchase’ বাটনে ক্লিক করে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। টিকিটের মূল্য পরিশোধ করা যাবে ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড কিংবা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশের মাধ্যমে।
পেমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ই-টিকিট ডাউনলোড হবে। একই সঙ্গে যাত্রীর নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানায় টিকিটের কপিও পাঠানো হবে।
পরবর্তীতে যাত্রীরা ই-মেইল থেকে টিকিটটি প্রিন্ট করে এবং সঙ্গে একটি বৈধ ফটো আইডি নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে ভ্রমণের আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
ভিওডি বাংলা/জা







