এক হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু

সরকার এক হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে। পাঁচ বছরের মধ্যে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি, মৎস্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
প্রাথমিকভাবে এই এক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের জন্য খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। ধারাবাহিকতায় বিএনপির সাম্প্রতিক নির্বাচনী ইশতেহারেও খাল খননের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে তদারকিও শুরু হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এই খাল পুনঃখননের কাজ তদারকি করবে। ঢাকার কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা, চুনকুটিয়া ও আটি জয়নগর খাল খননের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে বাঁধ ও জলাশয় সংস্কারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে আমরা এক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্নের চেষ্টা করব।” তিনি জানান, দেশের অনেক খাল অবৈধ দখলে চলে গেছে, তাই খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করার চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন, মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের ডিন হুমায়ুন কবির বলেন, “খাল খননের পাশাপাশি পানির উৎস ও প্রবাহ ঠিক রাখাতেও গুরুত্ব দিতে হবে।”
সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করবে।
ভিওডি বাংলা/আ







