এবার বিস্ফোরণে কাঁপলো সৌদি আরব

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, যা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
বিস্ফোরণের প্রকৃতি, ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এএফপির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে, শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা’ চালানোর ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। বিশ্লেষকদের মতে, এ পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে পশ্চিমাদের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধের কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাকে আরও দুর্বল করে দিল।
নিউইয়র্ক টাইমস এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও জড়িত। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি, হামলায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি খামেনিও লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জুমহুরি এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এছাড়া সৈয়দ খান্দান এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, পাস্তুর স্ট্রিটের আশপাশ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী বিমান যুদ্ধের পর এই নতুন হামলা শুরু হলো।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আগেই সতর্ক করেছিল, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে নেয়, তবে তারা পুনরায় হামলা চালাবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, "ইসরায়েলের ওপর থেকে হুমকি দূর করতে ইরানের বিরুদ্ধে পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা চালিয়েছে।"
একজন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বয় করে কয়েক মাস ধরে এই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কয়েক সপ্তাহ আগেই হামলার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
ভিওডি বাংলা/এমএস







