‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ গড়তে চার অগ্রাধিকার ডিএসসিসির

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকাকে আধুনিক, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনে কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় ঢাকার সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চারটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়। কর্মসূচিগুলো হলো— ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও টেকসই সবুজায়ন কার্যক্রম, খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও প্রয়োজনীয় খনন, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ও সমন্বিত মশক নিধন কর্মসূচি। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রশাসক বলেন, পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত তদারকির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশন একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা রক্ষা করাই প্রধান কাজ। ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং অবহেলার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় ডিএসসিসির সব নাগরিক সেবা সম্পূর্ণভাবে সচল ও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে বলেও জানান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব বাড়ায় ডিএসসিসির কয়েকটি ওয়ার্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় সিভিল সোসাইটি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে, জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সতর্ক করার পরও কারও অবহেলায় মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বা পরিবেশ দূষণের প্রমাণ মিললে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ







