• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
বিটিভিকে জনগণের প্রচারমাধ্যমে রূপান্তর করতে চাই: তথ্যমন্ত্রী ঈদযাত্রায় ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, ইসরায়েলে এফ-২২ যুদ্ধবিমান মোতায়েন আমি পদত্যাগ করিনি, আমাকে রিমুভও করা হয়নি: গভর্নর খালেদা আলমকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী আমি না থাকলে ভারত-পাকিস্তানের ৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ নিহত হতো: ট্রাম্প কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার ম্যানেজ ভোটের সরকার পিলখানা গণহত্যার বিচার করতে পারবে না বইমেলায় মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ নেই: ডিএমপি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল চেয়ে রিটের শুনানি রোববার

লাল খাঁন উচ্চ বিদ্যালয়

নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি    ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮ পি.এম.
লাল খান উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: ভিওডি বাংলা

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের লাল খাঁন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফিসের চেয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভাউচার বা অফিসিয়াল রসিদ ছাড়াই অর্থ গ্রহণ করায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিতে গেলে কোনো ধরনের অফিসিয়াল রসিদ বা ভাউচার না দিয়ে সাদা কাগজে ৫০০ টাকা লিখে ফি গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বেশ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ হয়ে ফি না দিয়েই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নুহার অভিভাবক আসমানী আক্তার জানান, তাঁর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৫০০ টাকা নেওয়া হলেও কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি।
একই অভিযোগ করেন শিক্ষার্থী বৃষ্টি আক্তারের অভিভাবক আকাশ মিয়া। তিনি বলেন, ‘প্রতিবারই এভাবে টাকা নেওয়া হয়। কোথাও অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যায় না, তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়েছি।’

বিশ্বনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল্লাহ বলেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বই বিক্রি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল, কিন্তু কোনো বিচার হয়নি। সে কারণেই এবার আর প্রতিবাদ করিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রেজিস্ট্রেশন ফি সাধারণত ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে নির্ধারিত থাকার কথা। এর বেশি নেওয়ার কোনো বিধান নেই। তবে সুনির্দিষ্ট অঙ্ক সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল হক ৫০০ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ভর্তির জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয়নি, তাই রেজিস্ট্রেশন বাবদ ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে ভাউচার বা অফিসিয়াল রসিদ না দেওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমিন পাপ্পা বলেন, ‘৫০০ টাকা নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে নির্ধারিত ফিসের বাইরে আদায় করা অর্থ ফেরত দেওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

ভিওডি বাংলা/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হিফজ সম্পন্নে হাফেজদের দোয়া ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
হিফজ সম্পন্নে হাফেজদের দোয়া ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বন্ধ আ. লীগ কার্যালয়ের গেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন
বন্ধ আ. লীগ কার্যালয়ের গেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন
ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা
ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা