ভেনেজুয়েলা থেকে ৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দেশটি ভেনেজুয়েলা থেকে ৮০ মিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেল পেয়েছে। মঙ্গলবার রাতের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি এই তথ্য দেন।
ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র তার নতুন বন্ধু ও অংশীদার ভেনেজুয়েলা থেকে ৮০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল তেল গ্রহণ করেছে।”
এটি গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় তেলসংক্রান্ত সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।
ভাষণে তিনি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রশাসনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। ট্রাম্প দাবি করেন, এই তেল সরবরাহ মার্কিন অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
ভাষণের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ছিল:
অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি: ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি দ্রুত কমছে এবং অর্থনীতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী। তিনি গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ২.৩০ ডলারের নিচে নেমে আসাকে বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
সীমান্ত ও অভিবাসন: প্রেসিডেন্ট বলেন, মার্কিন সীমান্ত এখন নিরাপদ। যদিও নবাগত অভিবাসীদের ভিসা স্থগিত করা হয়েছে, তিনি আইনগত অভিবাসন রক্ষার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন। সম্প্রতি ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করা হয়েছে।
ইরান পরিস্থিতি: মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, “আমেরিকা যেকোনও হুমকির মোকাবিলায় পিছপা হবে না।”
ট্রাম্প আরও বলেছেন, “আমেরিকার স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালে দেশ ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে।”
তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অভিবাসন নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ হলো প্রেসিডেন্টের বার্ষিক সাংবিধানিক কর্তব্য। প্রতি বছর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে এটি প্রদান করা হয়। ভাষণের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বিগত বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী বছরের নীতি ও পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
ভিওডি বাংলা/এমএস







