বিরোধী শিবিরের ষড়যন্ত্রের শিকার সেতু মন্ত্রী

বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন দলের দুঃসময়ে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতা । সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তার হাতে থাকায় বিরোধী শিবিরের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সেতু মন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে মনগড়া বিশ্লেষণ করে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। ওই বক্তব্যের খণ্ডিত অংশকে মনের মাধুরী মিশিয়ে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বিরোধী শিবির। নানা অপপ্রচারের মাধ্যমে মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন এই রাজনীতিবিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ওই কুচক্রী মহল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রপাগান্ডার শিকার হন দলের দুঃসময়ের এই কান্ডারি। সেই সময় তাকে ‘খুনি’, ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’, ‘পলাতক’ আখ্যা দিয়ে ভোটারদের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। বিরোধী শিবিরের সেই মিথ্যা প্রোপাগান্ডার জাল ছিন্ন করে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে আনতে প্রচণ্ড চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় তাকে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা অর্জন করে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেন শেখ রবিউল আলম।
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ার পর বিরোধীদের আরও ঈর্ষার কারণ হয়ে ওঠেন তিনি। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে নানা সুযোগ খুঁজতে থাকে ষড়যন্ত্রকারীরা। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি এক সভায় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ওসেতু মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ধরনের চাঁদাবাজি প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।’ এ সময় শ্রমিক ও মালিক সংগঠনগুলোর উত্তোলিত টাকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যেহেতু এসব টাকা সংশ্লিষ্টরা নিজেদের কল্যাণের জন্য পারস্পরিক সমঝোতায় নেয়, সেগুলোকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিন্তু ওঁত পেতে থাকা ষড়যন্ত্রকারীরা তার এই বক্তব্যকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডার ছড়াচ্ছে। তবে তাদের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও ঢাকা ১০-আসনের জনগণ।
দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, শেখ রবিউল আলম একজন সৎ সাহসী, সজ্জন ও মেধাবী রাজনীতিবিদ। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি একটি মহলের প্রতিহিংসার শিকার। বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি। এজন্য অসংখ্যবার আটক ও জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে তাকে।
যার ফলে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে মনোনয়ন দেয় বিএনপির হাইকমান্ড। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেন। এসব কারণে বিরোধী শিবিরের ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উচ্চতর ডিগ্রিধারী শেখ রবিউল আলম একজন স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। শিক্ষা জীবনে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো ক্যাডার রাজনীতি তাকে স্পর্শ করতে পারে নি। স্থানীয় জনগণের কাছে তিনি বরাবরই একজন সৎ নিষ্ঠাবান দেশপ্রেমিক। আর দলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ







