জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ
সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নতুন ধাপে প্রবেশ করছে বিচারপ্রক্রিয়া। কারফিউ জারির মাধ্যমে ছাত্র-জনতাকে হত্যায় উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আজ থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক–এর বিরুদ্ধে।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার–এর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ এ সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সেখানে প্রসিকিউশন পক্ষ জানায়, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছিল।
প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, ওই কথোপকথনের এক পর্যায়ে কারফিউ চলার সময় আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাদের ওই বক্তব্য হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে।
গত ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেয়। শুনানিতে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এরও আগে, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর এই মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয় প্রসিকিউশন, যা পরে ট্রাইব্যুনাল আমলে নেয়। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা কারাগারেই আছেন।
ভিওডি বাংলা/এমএস







