‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে কমিটি গঠন করা হয়েছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে-এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এই কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না এবং পুরো কার্যক্রমটি হবে নীতিমালা অনুসারে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান। মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড চালু হলেও বর্তমানে যেসব সামাজিক ভাতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে, সেগুলো বন্ধ হবে না; বরং আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন এই কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের তালিকা আরও সমন্বিত ও যাচাইযোগ্য করা হবে। এতে প্রকৃত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি কত দ্রুত চালু করা যায়, সেটিই ছিল বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়। তিনি বলেন, আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালুর চেষ্টা চলছে। কোন পরিসরে শুরু করা হবে, কতজন উপকারভোগী থাকবেন এবং বাস্তবায়নের গতি কেমন হবে-এসব বিষয় এক-দুই দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে প্রাথমিক পর্যায়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। এ প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোন জেলায় কতজনকে এই কার্ড দেওয়া হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে আগে পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে কয়েকটি জেলার কিছু উপজেলাকে সম্ভাব্য এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা আছে।
ফ্যামিলি কার্ডে কী ধরনের সুবিধা থাকবে-এমন প্রশ্নে তিনি ইঙ্গিত দেন, সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, বিশেষ করে নারীদের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার আশা করছে, এই কার্ড চালু হলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়বে।
ভিওডি বাংলা/জা







