• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

রমজানকে স্বাগত জানানোর ৫ উপায়

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৮ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

আবারো রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস রমজান আল্লাহ তায়ালা আমাদের নাজিল করেছেন। এই পবিত্র মাসকে আনন্দ, দায়িত্ববোধ এবং আত্মশুদ্ধির সঙ্গে গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।

কোরআনে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, মুমিনদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন আগের জাতিদের ওপর করা হয়েছিল, যাতে তারা সংযম শিখতে পারে। অসুস্থ বা সফররতদের জন্য ছাড় রয়েছে, আর যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও রাখতে অক্ষম, তাদের জন্য রয়েছে ফিদইয়া। তবে রোজা রাখাই সর্বোত্তম, যদি তা মুমিন উপলব্ধি করে। এই রমজান মাসেই মানবজাতির জন্য পথনির্দেশক কোরআন নাজিল হয়েছে।

রমজান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের মুহূর্ত। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত মাসটি আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করা এবং সর্বোচ্চ সুফল অর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া। এই প্রেক্ষিতে পাঁচটি করণীয় তুলে ধরা হলো—

১. বিশেষ দোয়া ও আন্তরিকতা

রমজান আসার আগেই আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত। সুস্থতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে মাসটি পালন করার তাওফিক, রোজা ও ইবাদত আদায় করার অনুপ্রেরণা চাইতে হবে। নবীজি রজব মাসের শুরুতে দোয়া করতেন, “আল্লাহ রজব ও শাবানকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজানে পৌঁছে দিন।” চাঁদ দেখার সময় তিনি নিরাপত্তা, ঈমান ও কল্যাণের দোয়াও করতেন।

২. কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ

রমজান এলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আনন্দ ভাগাভাগি করুন। সাহাবায়ে কেরাম একে অপরকে রমজানের শুভেচ্ছা জানান। নবীজি তাদের রমজানের সুসংবাদ দিয়ে উৎসাহিত করতেন।

৩. পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প

রমজান সফল করতে মাসব্যাপী পরিকল্পনা জরুরি। কর্মব্যস্ততার মধ্যে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সাহরি ও ইফতারের সময় ঠিক রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি নিয়ত করতে হবে—গুনাহ থেকে দূরে থাকা, আন্তরিক তাওবা করা এবং কারও প্রতি অন্যায় হয়ে থাকলে ক্ষমা চাওয়া।

৪. রোজার বিধান জানা

রোজা শুধুমাত্র খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকা নয়; মন্দ কথা ও অন্যায় কাজ থেকেও সংযত থাকা আবশ্যক। নবীজি বলেছেন, “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও অন্যায় কাজ ছাড়ে না, তার খাদ্য ও পানাহার ত্যাগ আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।”

৫. দান, উদারতা ও মানবিকতা

রমজান হলো দয়া ও দানের মাস। আত্মীয়-প্রতিবেশী, সহকর্মী, মুসলিম ও অমুসলিম সবাইকে ইফতারে আমন্ত্রণ জানানো যায়। গরিব ও অসহায়দের সহায়তা করা, যাকাত ও সদকা আদায়ে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। হাদিসে এসেছে, নবীজি সাধারণ সময়ের তুলনায় রমজানে আরও বেশি দানশীল হতেন, কল্যাণের বয়ে চলা বাতাসের মতো।

রমজান যেন আমাদের জীবনে আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং মানবিকতার নতুন অধ্যায় খুলে দেয়।

ভিওডি বাংলা/এমএস   

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আজ পবিত্র শবে বরাত
আজ পবিত্র শবে বরাত
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে তারেক রহমান বাণী
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে তারেক রহমান বাণী
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মির্জা ফখরুলের বাণী
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মির্জা ফখরুলের বাণী