আসছে রমজান মাস
মধ্যবিত্তদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাজ

ঘনিয়ে আসছে রমজান মাস। নিম্ন এবং মধ্যবিত্তদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাজ। আমন ধানের ভরা মৌসুম চললেও এবং চাল আমদানি হলেও কমছে না চালের দাম। বরং চালের আড়তদাররা বলছেন, দাম বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। এদিকে কমতির দিকে শীতকালীন সবজির দাম। তবে বাড়তি আছে মুরগির দাম।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার, সাগরপাড়া, শালবাগান ও উপভদ্রার বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।
কিন্তু আমদানি করা পেঁয়াজ ৮০ টাকার কমে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আগের মতোই আদার কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, রসুন ১১০ থেকে ১৮০, নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।
বিক্রেতারা জানান, বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ বেড়েছে। এতে বেশির ভাগ সবজির দাম কমেছে। শিম ও গোল বেগুন ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। লম্বা বেগুন ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১১০ টাকা থেকে কমে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সবচেয়ে কমেছে মটরশুঁটির দাম। মটরশুঁটি ১৪০ টাকা থেকে কমে ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া টমেটো ৪০, দেশি গাজর ৪০, কাঁচা পেঁপে ৩০, শসা ৭০, করলা ১০০, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ৩০, কাঁচকলা হালি ৩০, চাল কুমড়া পিস ৪০, লাউ পিস ৭০ ও লেবু হালিতে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
একই বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহ ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল অবস্থায় সাদা কক মুরগি ২৭০, খাসির মাংস ১ হাজার ১৫০ ও গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে স্থিতিশীল অবস্থায় রুই ৩২০-৪২০, কালবাউশ ৩০০-৩৭০, কাতলা ৩৪০-৪৪০, শিং ৩৪০-৬৪০, টাকি ৪১০-৫৪০, সিলভার কার্প ২১০-২৮০, শোল ৫৯০-৬৪, তেলাপিয়া ২০০-২৮০, মৃগেল ২৮০-৩৫০, পাবদা ৪০০-৫৩০, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০, পাঙাশ ১৭০-২০০ ও কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মোটা চালের (গুটি স্বর্ণা) কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকায় ও আটাশ চালের কেজি ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির মিনিকেট চালও বেশি দামে ৮৫ থেকে ৮৭ টাকায় বিক্রি হয়। ভরা মৌসুমেও চিনিগুঁড়া চাল বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে।
চাল বিক্রেতা আতাউর রহমান বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন মিলমালিকরা। বাজার সিন্ডিকেটের জন্য চাল আমদানি হলেও দাম কমছে না। সামনে রোজার মাসে দাম বাড়ার সম্ভাবনা অনেক।
তবে আগের মতোই চিনির দাম ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, চিকন মসুর ডাল ১৬৫ টাকা, ছোলা ১০০ থেকে ১১০, দুই কেজির আটার প্যাকেট ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ডিওডি বাংলা/ মোঃ রমজান আলী/ আ







