অনেকে আন্দোলনে এসে নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে ভোট পেছানোর চেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনের শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মালিবাগ ও রাজারবাগ এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘গতকাল শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু এই আন্দোলনে পুলিশ যেভাবে সবাইকে পিটিয়েছে এবং হামলা করেছে, এটা প্রশাসন থেকে শুরু করে সবার জন্য একটা লজ্জার বিষয়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
তিনি জানান, সহিংসতার ঘটনায় অনেক আন্দোলনকারী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক ভাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। গতকাল আমি গিয়েছিলাম হাসপাতালে। সেখানে দেখেছি খুবই ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। জাবের, জুমাসহ অনেকে আহত হয়েছে। একজন প্রার্থী মহিউদ্দিন রনিকেও পেটানো হয়েছে। আশা করবো এই ধরনের সংস্কৃতি থেকে সরকার সরে আসবে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে আগ্রহী হবে।’
নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ টেনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রথমে ওসমান হাদি হত্যার বিচারের বিষয়টি রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা রয়েছে, তারা নির্বাচন আয়োজন করবে। আবার আমাদের যে বিচারালয় রয়েছে, তারা ওসমান হাদি হত্যা বিচার করবে। ফলে একটা আরেকটার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে একভাবে দাঁড় করানো হয়েছিল—সংস্কার আর নির্বাচন কি আলাদা জিনিস কি না। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে—এমন প্রত্যয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারিতে ভোট হবে এবং সবাই ভোট দিতে আসবেন। যদি কেউ ভয় দেখানোর চেষ্টা চালায়, সেটার প্রতি কর্ণপাত না করে ১৫ বছরে ভোট দিতে না পারার অধিকার প্রয়োগ করবেন।’
ভিওডি বাংলা/এমএস







