শফিকুর রহমান:
আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তার ভাই মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি থাকলে হয়তো তার ভাই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এখনো দেশে সাধারণ মানুষ ঘরে, চলাচলে ও কর্মস্থলে নিরাপদ নয়। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মামলা সংক্রান্ত ভয়ে মানুষ অস্থির। এই বাংলাদেশ কি আমরা চাই?”
তিনি আরও বলেন, “এ দেশের মানুষের ভাগ্য বদলানোর জন্য দরকার সৎ নেতৃত্ব। দুর্নীতিবাজরা ভোটের সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়, নির্বাচন শেষে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় এলে সব ধর্মের উৎসব নিরাপদে পালনের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ বঞ্চিত হবে না। ইসলাম ধর্মও বাড়াবাড়ি করার অনুমতি দেয় না। ৫ আগস্টের পর যে ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় পাহারা পেয়েছে, তা বন্ধ করা হয়েছে।”
সভায় জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মুখলিছুর রহমান সভাপতিত্ব করেন এবং সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ সঞ্চালনা করেন। এছাড়া ডা. শফিকুর রহমান সিলেট জেলার চারটি আসনের জোট প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
সভায় খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী ড. আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, জাগপা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম, সিলেট মহানগর আমির মাওলানা জোবায়ের রহমান খান, হবিগঞ্জ-১ প্রার্থী মুফতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে নির্বাচনী প্রচারণার মূল থিম ছিল জনগণের নিরাপত্তা, সৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা।
ভিওডি বাংলা/জা







