পোস্টাল ভোটে প্রবাসীদের উৎসাহ দ্বিগুণ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে পোস্টাল ভোটের আগ্রহ দেশের অভ্যন্তরের তুলনায় অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডাকযোগে ভোট প্রদানের এই প্রক্রিয়া প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্যে এই চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। প্রবাসীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট প্রদানকে কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি বড় সাফল্য হিসেবে মূল্যায়ন করছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসী ভোটারদের গন্তব্য দেশের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন ভোটার সফলভাবে ব্যালট পেপার গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যেই ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন প্রবাসী ভোটার ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন এবং ডাকবাক্সে জমা দিয়েছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৮টি ব্যালট। বিশেষ উল্লেখ, বাংলাদেশে ফিরে এসেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি ব্যালট, যেগুলো রিটার্নিং কর্মকর্তারা গ্রহণ করেছেন ৪১ হাজার ১৭৮টি।
অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরে ডাকযোগে ভোট প্রদানের (ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোট) নিবন্ধন করানো ভোটারদের মধ্যে এখনও অংশগ্রহণের গতি ধীর। দেশে প্রেরিত ৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১টি ব্যালটের মধ্যে এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৯ জন ভোটার। ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৯১ জন এবং ডাকবাক্সে জমা দিয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৬৫টি ব্যালট। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ১২ হাজার ৯১৫টি ব্যালট।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ডাকযোগে আসা সব ব্যালট অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রাপ্ত ব্যালটগুলো নির্ধারিত সময়ে মূল গণনার সঙ্গে যোগ করা হবে, যা ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে এ ধরনের ব্যাপক উৎসাহ দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ও অনলাইন ভিত্তিক ভোট প্রদানের মাধ্যমে প্রবাসীরা তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারছেন।
কমিশনের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, দেশের অভ্যন্তরের ভোটাররাও ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন। প্রবাসী ভোটারদের এই সাড়া জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
ভিওডি বাংলা/জা







