ঋণখেলাপিদের জন্য ‘পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম’: হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও ১১-দলীয় জোটের মনোনীত নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ঋণখেলাপিদের জন্য আগামী বাংলাদেশ একটি কঠোর “জাহান্নাম” হয়ে যাবে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রাখার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত বলেন, “আজকের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে জনগণের জয় হয়েছে। জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের বিজয়। ব্যাংক ডাকাতি করে কেউ জনগণের ভোট নিয়ে সংসদে যেতে পারবে না।” তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে তিনি ঋণখেলাপিদের জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা ও আলী আজগর শরীফী।
এর আগে, কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন। তবে হাইকোর্ট গত ২১ জানুয়ারি রিট খারিজ করলে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন। রোববার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তার আবেদন খারিজ করে দেন।
মুন্সীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও সাইফুল্লাহ আল মামুন, আর হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও জহিরুল ইসলাম মূসা।
উল্লেখ্য, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের প্রাথমিক কারণ ছিল ঋণখেলাপির অভিযোগ। এই অভিযোগ এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) করেছিলেন। ১৭ জানুয়ারি ইসি এই অভিযোগ মেনে মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করে। এরপর মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেন, যা খারিজ হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহর এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বার্তা দিয়েছেন যে, যারা দেশের অর্থনৈতিক দায়িত্ব অমান্য করে ঋণ নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার মাধ্যমে কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় এই ধরনের অভিযোগ ও প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনা ভোটারদের মাঝে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার বার্তা পৌঁছে দেয়।
ভিওডি বাংলা/জা







