নেতা হ্যাঁ বললেও কর্মীরা না চাইছে: আসিফ মাহমুদ

এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সংস্কারের প্রশ্নে দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর এখন একটি দলের প্রধান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলছেন। অথচ ওই দলের কর্মীরা ‘না’ ভোট চাইছেন। তিনি বলেন, “নেতা হ্যাঁ ভোটের কথা বললেও কর্মীরা না ভোট চাইলে তাদের গুপ্ত বলা হবে—এইভাবে না ভোট চাওয়াও তো গুপ্ত কাজ।”
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “সাইফুল্লাহ হায়দারের আবেদনের পাশাপাশি এই এলাকার মানুষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাকে নির্বাচিত করা হলে তিনি আপনাদের জন্য আরও বেশি কাজ করতে পারবেন।”
তিনি বলেন, “২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ থেকে শুরু করে শাপলা চত্বর হয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ হত্যার বিচার করা হবে ইনশাআল্লাহ। সরকার গঠন করতে পারলে ‘হিসাব দাও’ নামে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করা হবে।”
নিজের বিষয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “উপদেষ্টা পদ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সরকারি একটি বাড়ি, একটি খাট ও একটি ম্যাট্রেস ফেরত দিয়েছি।”
ভারতের প্রতি সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, “আমরা তিন দিক দিয়ে একটি দেশ দ্বারা ঘেরা অবস্থায় আছি। তাদের কাছে প্রত্যাশা ছিল ভালো প্রতিবেশীসুলভ আচরণ। কিন্তু তারা আমাদের ছোট প্রতিবেশী হিসেবে বিবেচনা করতে চায়।” তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য জোট সরকার গঠন করলে যুবকদের সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং সামরিক বাহিনীর অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে বাংলাদেশের সংস্কারের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। তবে তিনি জীবনে একটি ভুল করেছিলেন—বাকশাল গঠনের পরও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা। এর ফলেই বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশের মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একটি দল আবারও আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। আপনারা যদি নির্যাতিত হতে চান বা দেশ ছাড়তে চান, তাহলে আমরা আর পাশে থাকব না।”
কৃষিঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি দল আবারও কৃষকদের ঋণ মওকুফের কথা বলছে। ২০০১ সালেও তারা একই কথা বলেছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন করেনি। ২৫ বছরেও যখন ঋণ মওকুফ হয়নি, এবার বললে প্রশ্ন করতে হবে—এবার কবে মওকুফ হবে?”
ভিওডি বাংলা/ আ







