রেজাউল করীম:
জামায়াত গোপনে আমেরিকা-ভারতের সাথে বৈঠক করছে

নরসিংদী সদর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন পুলিশ লাইন্স এলাকায় শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম জামায়াতের ওপর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “জামায়াতের মুখে এক কথা, কাজে অন্যটা। তারা আমাদের সামনে এক রকম কথা বলে, কিন্তু গোপনে আমেরিকার দূতাবাসে বৈঠক করছে। আবার মুখে বড় কথা বললেও আড়ালে ভারতের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক হতেই পারে, কিন্তু গোপনে কেন? এতে কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, যা দেশের মানুষ বুঝে গেছে।”
রেজাউল করীম দাবি করেন, বিএনপি-জামায়াত জোট অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তাই নতুন করে তারা দেশের উন্নয়ন ও শান্তি নিয়ে কী ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ আর বোকা নয়। তাদের আর ধোঁকা দেওয়া যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি সুন্দর ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একটি ঐক্য তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমঝোতার নেতৃত্ব ও নীতিগত অবস্থানে মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জামায়াতের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, একশ্রেণির ক্ষমতালোভী দল প্রচলিত আইনেই দেশ চালাতে চায়, যা দিয়ে গত ৫৪ বছরেও সত্যিকার ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই তাদের ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি একটি ধোঁকা মাত্র।
পরিশেষে রেজাউল করীম দেশ ও ইসলামপ্রেমী ভোটারদের পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ভোটারদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। এখন সময় এসেছে প্রকৃত পরিবর্তন আনার।”
রেজাউল করীমের বক্তব্যে নির্বাচনী প্রচারণার মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড ও নীতিগত অবস্থান সম্পর্কে ভোটারদের সচেতন করার উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







